৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

মনপুরার জনতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড!তিন দোকান পুড়ে ছাই

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মনপুরার জনতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড!তিন দোকান পুড়ে ছাই

Manual1 Ad Code

মনপুরার জনতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড!তিন দোকান পুড়ে ছাই

মো:কামরুল হোসেন সুমন,মনপুরাঃ ভোলার মনপুরা উপজেলার জনতা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

Manual2 Ad Code

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারের একটি তুলার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অসাবধানতাবশত বিড়ির আগুন থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হতে পারে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকানগুলোতেও, ফলে তিনটি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন— মো. ওসমান রাঁড়ী (লেপ-তোশকের দোকান), যার আনুমানিক ক্ষতি প্রায় ৩০ হাজার টাকা।কামাল মোল্লা (চিংড়ি মাছের আড়ৎ), যার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার টাকা; এবং মো. মঈন স্বর্ণকার, যার ক্ষতি প্রায় ১০ হাজার টাকা।

এছাড়া, পুড়ে যাওয়া তিনটি ঘরের মালিক মো. মনির হাওলাদার জানান, তার ঘরগুলোর আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে।

Manual7 Ad Code

খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায় এবং পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

Manual8 Ad Code

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বাজারে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার অভাব থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code