২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়ার নতুন পদক্ষেপ।

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়ার নতুন পদক্ষেপ।

Manual6 Ad Code

শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী ব্যবস্থাপনায় মালয়েশিয়ার নতুন পদক্ষেপ।

 

Manual2 Ad Code

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ২০২৬ সালের প্রথম ‘শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী ব্যবস্থাপনা নিরাপত্তা ক্লাস্টার ওয়ার্কিং কমিটি’র গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার শরণার্থী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি পুনর্মূল্যায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এই সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইসলামিক উন্নয়ন বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে উল্লেখ করেন, এই ধরনের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া সময়ে সময়ে আরও জোরদার করা হবে।

Manual2 Ad Code

সভার মূল লক্ষ্য ছিল সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ রেখে শরণার্থী ইস্যুটি আরও সুশৃঙ্খল ও পদ্ধতিগতভাবে পরিচালনা করা।

Manual7 Ad Code

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল জানান, ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া ‘শরণার্থী নিবন্ধন নথি’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শরণার্থীদের সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ও ব্যাপক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। এই উদ্যোগটি কর্তৃপক্ষকে ভবিষ্যতে একটি সুসংহত ডাটাবেজ তৈরিতে সাহায্য করবে, যা শরণার্থী নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তুলবে।

মালয়েশিয়া সরকারের এই সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলো পর্যায়ক্রমে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে যাতে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী ব্যবস্থাপনা সব পক্ষের জন্য সুফল বয়ে আনে। পর্যায়ক্রমিক এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও দৃঢ় হবে এবং শরণার্থী ইস্যু পরিচালনায় মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিকভাবে আরও কার্যকর অবস্থানে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Manual7 Ad Code

সরকার এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় এনে ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code