২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ বাংলাদেশি নিহত।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ বাংলাদেশি নিহত।

Manual5 Ad Code

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জনসহ ৬ বাংলাদেশি নিহত।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পথে সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে আভা যাওয়ার পথে তাদের বহনকারী গাড়িটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের চারজনসহ মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়।

Manual7 Ad Code

নিহতরা হলেন- রামগঞ্জ উপজেলার নলচারা বেপারী বাড়ির মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী ফারজানা ইয়াছমিন, মেয়ে মেহের আফরোজ, ফাইজা ও গাড়ি চালক বাবরসহ নিহত মিজানুর রহমানের বন্ধুর স্ত্রী।

Manual5 Ad Code

এ ঘটনায় মিজানুরের দেড় বয়সী শিশু কন্যা সুবহা অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও হাসপাতালের আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।
এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে মা খুকি বেগম ও বাবা শহিদ উল্যাহ বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। একই অবস্থায় পরিবারের অন্যদের।

Manual1 Ad Code

বড় ভাই স্থানীয় টিউরী বাজারের ব্যবসায়ী বাহারুল আলম জানান, ছোট ভাই মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবের আবহা শহরে হোটেল ব্যবসার সাথে জড়িত। চলতি মাসের ৩ ফেব্রুয়ারি তার ছোট ভাই মিজানুর রহমান তার স্ত্রী ফারজানা তার তিন কন্যাকে নিয়ে পবিত্র ওমরা হজ পালন করাতে সৌদি আরবে যান। সৌদি আরবের সময় রোববার রাত প্রায় ৯টার দিকে পবিত্র ওমরা হজ পালন শেষে স্বামীর কর্মস্থল আভায় ফেরার পথে তায়েফ নামক এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। এতে পরিবারের চারজনসহ ৬ জন নিহত হন।

প্রায় ২০ বছর আগে সৌদি আরব পাঁড়িজমান মিজানুর রহমান। সেখানে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন তিনি। রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী জানান, বিষয়টি জানতে পেরেছি। মরদেহ দেশে আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হলে সার্বিক সহযোগিতা করব। এ ঘটনায় রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাশিদ বিন এনাম জানান, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code