২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিএনপির জয়ে কুয়েতে আনন্দ-উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ণ
বিএনপির জয়ে কুয়েতে আনন্দ-উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ

Manual4 Ad Code

বিএনপির জয়ে কুয়েতে আনন্দ-উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয়ী হওয়ায় কুয়েতে আনন্দ-উল্লাস ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ১০টায় কুয়েত সিটির রাজবাড়ী হোটেলে কুয়েত রাজ্য শাখা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Manual3 Ad Code

বিজয় উদযাপন অনুষ্ঠানে কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া এবং আন্দোলনে নিহত নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া শেষে উপস্থিতদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

Manual3 Ad Code

এ সময় কুয়েত বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সোয়েব আহম্মেদ, মাইন উদ্দিন, চুন্নু মোল্লা, আবুল হাসেম এনাম, আক্তারুজ্জামান শামস, কাদের মোল্লাসহ অন্যান্য নেতারা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান এবং বিজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

অনুষ্ঠান শেষে কুয়েত বিএনপির সিনিয়র নেতারা সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং প্রবাসীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

Manual4 Ad Code

এ সময় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সভাপতি ও সময় টিভির প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা টিভির প্রতিনিধি আ. হ. জুবেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মাই টিভির প্রতিনিধি আল আমিন রানা, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও যমুনা টিভির প্রতিনিধি হেবজু মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক ও গাজী টিভির প্রতিনিধি আলাল আহম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও একাত্তার টিভির যুগ্ম সম্পাদক সাদেক রিপনসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Manual3 Ad Code

এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান। প্রবাসীদের প্রত্যাশা, নতুন সরকার গঠনের পর বিএনপি তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত প্রবাসীবান্ধব প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code