২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

৫০ হাজারের বেশি ইসরাইলি সেনার বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
৫০ হাজারের বেশি ইসরাইলি সেনার বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে।

Manual7 Ad Code

৫০ হাজারের বেশি ইসরাইলি সেনার বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ দখলদার ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ৫০ হাজারের বেশি সদস্যের বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে। সরকারি উপাত্তের ভিত্তিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনথ এ তথ্য জানিয়েছে।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, দেশটির সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনাসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার।

স্বচ্ছতা–সংক্রান্ত সংগঠন হাত্সলাখা তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদন করার পর সেনাবাহিনী এই তথ্য প্রকাশ করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ৫০ হাজার ৬৩২ জন সেনাসদস্যের ইসরাইলি নাগরিকত্বের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ১৩৫ জনের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব রয়েছে। এছাড়া ৬ হাজার ১২৭ জন ফরাসি নাগরিক এবং ৫ হাজারের বেশি রুশ নাগরিকত্বধারী সেনাসদস্য।

Manual6 Ad Code

তথ্য অনুযায়ী, ৩ হাজারের বেশি সেনার জার্মান নাগরিকত্ব রয়েছে এবং প্রায় সমসংখ্যক ইউক্রেনের নাগরিকত্বধারী। এক হাজারের বেশি করে সেনার ব্রিটিশ, রোমানীয়, পোলিশ, ইথিওপীয় ও কানাডীয় নাগরিকত্ব রয়েছে। বাকিরা অন্যান্য দেশের নাগরিক। তথ্য বলছে, ৪ হাজার ৪৪০ জন সেনার ইসরাইলি নাগরিকত্বের পাশাপাশি দুটি বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে। আর ১৬২ জনের রয়েছে তিনটি বিদেশি নাগরিকত্ব।

Manual2 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চে এই তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এটিকে ইসরাইলি সামরিক সদস্যদের বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে প্রথম বিস্তারিত প্রকাশ্য পরিসংখ্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, দেশটির সক্রিয় দায়িত্বে থাকা সেনাসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার। নিবন্ধিত রিজার্ভ সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ থেকে ৪ লাখ ৬০ হাজারের মধ্যে।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code