২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি পাসপোর্ট জালিয়াতি চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ণ
কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি পাসপোর্ট জালিয়াতি চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার

Manual1 Ad Code

কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি পাসপোর্ট জালিয়াতি চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের সেন্টুল এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট জালিয়াতি চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পরিচালিত এই অভিযানে ২৭ বছর বয়সি এক বাংলাদেশি যুবককে আটক করা হয়। যার কাছ থেকে ২২টি জাল পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মালয়েশিয়া অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) লোকমান এফেন্দি রামলি।

Manual4 Ad Code

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং এক মাসের দীর্ঘ নজরদারির পর গতকাল ভোর ৬টার দিকে সেন্টুল এলাকার দুটি ভিন্ন স্থানে এই অভিযান চালানো হয়। আটককৃত যুবক একজন বাংলাদেশি নাগরিক।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি বর্তমানে একটি বৈধ ‘স্টুডেন্ট পাস’ ভিসায় মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। অভিযান চলাকালীন পাসপোর্ট জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে- ১টি কম্পিউটার সেট ও প্রিন্টার, পাসপোর্ট তৈরির কাটিং মেশিন ও লেজার এনগ্রেভিং মেশিন, এক্সেস কার্ড এবং একটি বেনেলে লিওনসিনো মডেলের মোটরসাইকেল।

Manual6 Ad Code

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই সিন্ডিকেটটি মূলত কুয়ালালামপুরের আশেপাশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের লক্ষ্য করে কাজ করত। বিশেষ করে যারা ফমেমা স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ‘আনফিট’ হওয়া ব্যক্তিদের তাদের ভুয়া নথিপত্র ও পাসপোর্ট তৈরি করে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এই চক্রটি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।বর্তমানে আটককৃত বাংলাদেশিকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইমিগ্রেশন হেফাজতে রাখা হয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code