২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ে উল্লাসে মেতেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ণ
বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ে উল্লাসে মেতেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

Manual3 Ad Code

বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ে উল্লাসে মেতেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে বিভিন্ন দেশে বিজয় উল্লাস করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে আনন্দ মিছিল করে স্থানীয় বিএনপি। প্রবাসীদের প্রত্যাশা, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতিতে নতুন গতি ফিরবে। বিএনপি নির্বাচনে জয়লাভ করায় উল্লাসে মেতেছেন বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা।

Manual6 Ad Code

দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশের মাটিতে বসবাসের পর দেশে ফিরেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধ্স জয় পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি নির্বাচনে জয়লাভ করায় উল্লাসে মেতেছেন বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ও টেক্সাসে বিএনপির আয়োজনে বিশেষ দোয়া ও আনন্দ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নেতাকর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা একত্রিত হয়ে বিজয় উদযাপন করেন। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের সম্ভাব্য নেতৃত্বে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা।

কানাডার টরেন্টোতেও বিজয় মিছিল করেন প্রবাসী নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশের পতাকা হাতে নগরী প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় ছিল আনন্দ আয়োজন। একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে বিজয় উদযাপনের পাশাপাশি দেশে-বিদেশের ভোটারদের অভিনন্দন জানান।

Manual6 Ad Code

সৌদি আরবের রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামে প্রবাসীদের মধ্যেও দেখা গেছে একই উচ্ছ্বাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা, কমিউনিটি আয়োজনে মিষ্টি বিতরণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়। তাদের মতে, এই ফলাফল গণতন্ত্র ও সুশাসনের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

Manual6 Ad Code

প্রবাসীদের প্রত্যাশা দূতাবাস সেবা সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করা, আলাদা হেল্পডেস্ক চালু এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ করা। শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও আইনি সহায়তা জোরদারের মাধ্যমে প্রবাসীদের জীবনমান উন্নত হবে বলেও মনে করেন তারা। নতুন সরকার সব মত ও পথের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নেবে এমনটাই আশা প্রবাসীদের।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code