২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি, খনি ও বিমান নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব ইরানের।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি, খনি ও বিমান নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব ইরানের।

Manual1 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জ্বালানি, খনি ও বিমান নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব ইরানের।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন একটি পারমাণবিক চুক্তি করতে চাইছে যা উভয়পক্ষের অর্থনীতির জন্য লাভজনক হবে। আগামী মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের বৈঠকের আগে রোববার এমনটি জানিয়েছেন একজন ইরানি কূটনীতিক। খবর রয়টার্সের।
মার্কিন বাহিনী আক্রমণ করলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান।

Manual8 Ad Code

তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কয়েক দশক ধরে চলা বিরোধ মেটাতে সম্প্রতি নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় বিমানবাহী রণতরী ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানসহ ব্যাপক সামরিক সমাবেশ ঘটিয়েছে। সম্প্রতি ওই জলসীমার উদ্দেশে দ্বিতীয় আরেকটি বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে তারা।

Manual5 Ad Code

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচনা সফল না হলে কয়েক সপ্তাহব্যাপী সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরকি বাহিনী।
মার্কিন বাহিনী আক্রমণ করলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান। তবে রোববার সমঝোতামূলক চুক্তির ইঙ্গি দিয়েছেন তেহরানের কর্মকর্তারা।

Manual3 Ad Code

ইরানের আধা-স্বায়ত্তশাসিত বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অথনৈতিক কূটনীতি বিষয়ক উপপরিচালক হামিদ ঘানবারি বলেছেন, ‘চুক্তির স্থায়ীত্বের স্বার্থে এটি জরুরি যে যুক্তরাষ্ট্রও যেন দ্রুত ও উচ্চ লাভের ক্ষেত্রগুলো থেকে সুবিধা পায়। তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র, যৌথ ক্ষেত্র, খনিতে বিনিয়োগ আর এমনকি আকাশযান কেনার মতো পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত।’

তিনি যুক্তি তুলে ধরে বলেন, ‘২০১৫ সালে ছয় বিশ্ব শক্তির সঙ্গে তেহরানের যে পারমাণবিক চুক্তি হয়েছিল তা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে সুরক্ষিত করেনি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছুক হলে ইরান তাদের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আপস বা সমঝোতা করার কথা বিবেচনা করতে প্রস্তুত বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন ইরানের একজন মন্ত্রী।

তেহরানে বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তখত-রাভানচি বলেন, তারা যে চুক্তি করতে আগ্রহী সেটা প্রমাণ করার দায় এখন ‘আমেরিকার কোর্টে’। তিনি যোগ করেন, ‘তারা যদি আন্তরিক হয়, আমি নিশ্চিত আমরা একটি সমঝোতার পথে এগোব।’

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code