২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নির্বাচনের পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর: রাশিয়ার সিইসি

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
নির্বাচনের পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর: রাশিয়ার সিইসি

Manual5 Ad Code

নির্বাচনের পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর: রাশিয়ার সিইসি

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর ছিল বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়ান ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি)। বাংলাদেশের সিইসির এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন শিয়ান ফেডারেশনের সিইসি পাভেল আন্দ্রেয়েভ।

Manual4 Ad Code

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাস। দূতাবাস জানায়, ১১-১২ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) একটি প্রতিনিধি দল কমিশনার পাভেল আন্দ্রেয়েভের নেতৃত্বে ঢাকা সফর করে। তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়। পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিরা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের আটটি কেন্দ্রের ৪০টির বেশি ভোটকক্ষ পরিদর্শন করেন। ভোটগ্রহণের শুরু থেকে গণনার প্রস্তুতি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া তারা পর্যবেক্ষণ করেন।

Manual5 Ad Code

পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক ভোটার জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারের পতনের পর এটি ছিল তাদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত একটি নির্বাচন। কেউ কেউ সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসেন। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল ব্যালটের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিল।

রাশিয়ান পর্যবেক্ষকরা জানান, যৌথ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পরিচালনায় নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি ছিল সুদৃঢ়। প্রতিটি কেন্দ্রে জাতীয় আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং সামগ্রিক পরিবেশ ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও দলীয় পোলিং এজেন্টদের সমন্বিত উপস্থিতি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

রাশিয়ার পর্যবেক্ষকদের মতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল জোরদার। নির্বাচনে ৯ লাখের বেশি পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন ছিল। আয়োজকরা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তা সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলেনি।

Manual2 Ad Code

এদিকে, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে পাভেল আন্দ্রেয়েভ নির্বাচনের মানদণ্ড ও প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি রাশিয়ার সিইসির চেয়ারম্যান এলা পামফিলোভার পক্ষ থেকে আসন্ন স্টেট ডুমা নির্বাচনের আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানান।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code