৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনে আশরাফ মেহেদী সহ জামানত হারালেন ৭ জন

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনে আশরাফ মেহেদী সহ জামানত হারালেন ৭ জন

Manual8 Ad Code

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনে আশরাফ মেহেদী সহ জামানত হারালেন ৭ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের ৪৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৫ জন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী এই তথ্য জানা গেছে।

Manual4 Ad Code

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান জানান, নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রার্থী মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ (১২.৫%) পেতে ব্যর্থ হলে (আরপিও-র ৪১ অনুচ্ছেদ) অনুযায়ী প্রার্থী তার জামানত হারাবেন।

Manual6 Ad Code

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯৭ ভোট। এর এক অষ্টমাংশ ভোট সংখ্যা হচ্ছে ৩০ হাজার ৬২৪ ভোট। এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন শাপলা কলি প্রতীকে ২০ হাজার ৪০১ ভোট, জাতীয় পার্টির জিয়াউল হক মৃধা লাঙল প্রতীকে ১৯৯ ভোট, স্বতন্ত্র এস এন তরুণ দে কলার ছড়ি প্রতীকে ১২ হাজার ৫৬০ ভোট, জেএসডির তৈমুর রেজা মো. শাহজাদ তারা প্রতীকে ৩৮৪ ভোট, ইসলামি আন্দোলনের নেছার আহমাদ হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৮৫১ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মাঈন উদ্দিন আপেল প্রতীকে এক হাজার ৪১৯ ভোট এবং আমজনতার দলের শরিফা আক্তার প্রজাপতি প্রতীকে ১৮১ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code