৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হলেন যারা

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ণ
প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হলেন যারা

Manual2 Ad Code

প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হলেন যারা

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয়ের পর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিল নতুন মন্ত্রিসভা। এবারের সরকারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো–প্রধানমন্ত্রীসহ অন্তত ৩৩ জন সদস্য রয়েছেন যারা প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই সরাসরি মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন।প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হলেন যারা।

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন এই মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জীবনের প্রথম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে জয়ী হওয়া এই নেতা প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও নিজের হাতে রেখেছেন।

Manual1 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও প্রথমবারের মতো নির্বাচিত ১০ জন নেতা পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন সিলেটের খন্দকার আব্দুল মোকতাদির ও আরিফুল হক চৌধুরী, মানিকগঞ্জের আফরোজা খানম রিতা, ঝিনাইদহের মো. আসাদুজ্জামান, রাঙামাটির দীপেন দেওয়ান এবং ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ও শেখ রবিউল আলমের মতো নতুন মুখ। এ ছাড়া প্রবীণ নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবারই প্রথম নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে পূর্ণ মন্ত্রিত্বের স্বাদ পেলেন।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও তারুণ্যের জয়জয়কার দেখা গেছে। ২২ জন নতুন সংসদ সদস্য এবার মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। আলোচিত নেতাদের মধ্যে জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর, ইশরাক হোসেন, ববি হাজ্জাজ ও শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রথম জয়ের মাধ্যমেই সরকারের অংশ হলেন। এই তালিকায় আরও আছেন কায়সার কামাল, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, রাজিব আহসান ও ফারজানা শারমিন পুতুলের মতো নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নবীন-প্রবীণের এই সমন্বয় এবং প্রথমবার নির্বাচিতদের বড় পরিসরে সুযোগ দেয়া রাষ্ট্র সংস্কারের ক্ষেত্রে একটি নতুন বার্তা বহন করছে।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code