৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

আশুগঞ্জ উপজেলা ভোট কে‌ন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ণ
আশুগঞ্জ উপজেলা ভোট কে‌ন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ।

Manual6 Ad Code

আশুগঞ্জ উপজেলা ভোট কে‌ন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ।

নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণ‌ভোট উপল‌ক্ষে ভোট কে‌ন্দ্রে ব‌্যাপক নিরাপত্তার মধ‌্য দি‌য়ে ব‌্যালটসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ করা হ‌য়ে‌ছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়া‌রি) সকাল ১০টা থে‌কে উপ‌জেলা অ‌ডি‌টো‌রিয়াম প্রাঙ্গন থে‌কে এই বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।

Manual6 Ad Code

আশুগঞ্জ উপ‌জেলা‌ নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব রাফে মোহাম্মদ ছড়া-র উপ‌স্থি‌তি‌তে ও কাজী রবিউস সারোয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ম্যাজিস্ট্রেট, জনাব সৈয়দ রাফিউদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, শ্রী পৃথুল ভৌমিক উপজেলা প্রকৌশলী, সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারির উপস্থিত থেকে। প্রতি‌টি ভোট কে‌ন্দ্রের প্রিজাইডিং অ‌ফিসার‌দের নিকট নির্বাচনী সামগ্রী তু‌লে দেয়া হয়। এ সময় দা‌য়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অ‌ফিসার নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রের ব‌্যালট পেপার, খা‌লি ব‌্যালট বক্সসহ আনুষ‌ঙ্গিক সামগ্রী বু‌ঝে নি‌য়ে স্বাক্ষর ক‌রেন। নির্বাচনী সরঞ্জামা‌দি বিতর‌ণের পু‌রো সময় আইনশৃঙ্খলা বা‌হিনীর উর্ধ্বতন সদস‌্যরা উপ‌স্থিত থে‌কে সা‌র্বিক নিরাপত্তা নি‌শ্চিত ক‌রেন। সং‌শ্লিষ্ট কে‌ন্দ্রের দা‌য়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অ‌ফিসার, পু‌লিশ সদস‌্য এবং আনসার সদস‌্যরা উপ‌স্থিত হ‌য়ে ‌নির্বাচনী সরঞ্জামা‌দি বু‌ঝে নি‌য়ে নি‌চ্ছিদ্র নিরাপত্তা প্রহরায়‌ নির্ধা‌রিত ভোট‌কে‌ন্দ্রের উদ্দে‌শ্যে রওনা হন।

Manual7 Ad Code

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে সরাইল-আশুগঞ্জ বিজয়নগর আংশিক আসনটি ব্রাহ্মণবারিয়া-২ আসনটি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের টহল জোরদার করা হয়েছে। আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আশুগঞ্জ উপজেলা মোট ৫০টি ভোটকেন্দ্রের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তবে কনো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে সকল বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

Manual7 Ad Code

আশুগঞ্জ উপজেলা সংসদীয় আসনে স্থানীয় ভোটার ১৫১০৫১জন পোস্টাল ভোটার ২০৪০জন মোট ভোটার ১৫৩০৯৯ জন ভোটার রয়েছে ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code