২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আগে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সামরিক মহড়া।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আগে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সামরিক মহড়া।

Manual2 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার আগে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সামরিক মহড়া।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনার একদিন আগেই, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

Manual7 Ad Code

আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্মার্ট কন্ট্রোল অব দ্য স্ট্রেইট অব হরমুজ’ শীর্ষক এই মহড়ার লক্ষ্য তাদের নৌবাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা।

Manual3 Ad Code

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ও সামরিক হুমকির জবাবে পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও বিভিন্ন পরিস্থিতি যাচাই করাও এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য। পাশাপাশি, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে ইরানের ভূ-কৌশলগত সুবিধা প্রদর্শন করাও এর লক্ষ্য।

Manual5 Ad Code

বিবৃতিতে বলা হয়,
সামুদ্রিক ক্ষেত্রে নিরাপত্তাবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আইআরজিসির অপারেশনাল বাহিনীর দ্রুত, সিদ্ধান্তমূলক ও সর্বাত্মক প্রতিক্রিয়াই এই মহড়ায় অংশ নেয়া ইউনিটগুলোর গোয়েন্দা ও অপারেশনাল অনুশীলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু।

হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এবং পারস্য উপসাগর থেকে উন্মুক্ত সমুদ্রে যাওয়ার একমাত্র সমুদ্রপথ হিসেবে বিবেচিত।তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই এই মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিমানবাহী রণতরী ও বোমারু বিমান মোতায়েন করে।

Manual2 Ad Code

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হবে। তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মৌসাভি সতর্ক করে বলেন, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জন্য ‘একটি শিক্ষা’ হয়ে দাঁড়াবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code