৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় ‘ইকবাল’ সিন্ডিকেটে হানা, ১২ বাংলাদেশি আটক

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় ‘ইকবাল’ সিন্ডিকেটে হানা, ১২ বাংলাদেশি আটক

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ‘ইকবাল’ নামে পরিচিত একটি আন্তর্জাতিক মানবপাচার সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

Manual2 Ad Code

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কোটা বারু এলাকার একটি প্রত্যন্ত গ্রামে পরিচালিত এই অভিযানে ১১ জন বাংলাদেশি পুরুষ ও একজন নারীসহ মোট ১২ জন বাংলাদেশি এবং একজন রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান।

Manual8 Ad Code

তিনি জানান, অভিবাসন বিভাগের অ্যান্টি-ট্রাফিকিং ইন পারসনস, অ্যান্টি-স্মাগলিং অফ মাইগ্রেন্টস এবং মানি লন্ডারিং বিরোধী শাখার একটি বিশেষ দল এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। পাচারকারীরা কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে একটি নির্জন গ্রাম্য বাড়িকে ‘ট্রানজিট পয়েন্ট’ বা গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছিল।

Manual2 Ad Code

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আটককৃত অভিবাসীরা তিন দিন আগে থাইল্যান্ড সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ‘লুকানো পথ’ ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেন। পাচারের বকেয়া টাকা আদায় না হওয়া পর্যন্ত অভিবাসীদের ওই গোপন বাড়িতে বন্দি করে রাখা হতো। সিন্ডিকেটটি প্রতিজন অভিবাসীর কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার রিঙ্গিত (মালয়েশিয়ান মুদ্রা) আদায় করত। ২০২৪ সালের শুরু থেকে সক্রিয় এই চক্রটি এ পর্যন্ত পাচারের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ রিঙ্গিত অবৈধ মুনাফা করেছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, এই পাচার চক্রের মূল হোতা ‘ইকবাল’ নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক, যে বর্তমানে থাইল্যান্ডে অবস্থান করে পুরো সিন্ডিকেটটি পরিচালনা করছে। অভিযানে আটক ২৭ বছর বয়সী রোহিঙ্গা যুবক ওই আস্তানার পাহারাদার হিসেবে কাজ করত।
এছাড়া, অভিবাসন বিভাগ বর্তমানে ওই বাড়ির মালিককে (মালয়েশিয়ান নাগরিক) খুঁজছে, যে এই অবৈধ কাজে আস্তানা দিয়ে সহায়তা করেছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ‘অ্যান্টি-ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড অ্যান্টি-স্মাগলিং অফ মাইগ্রেন্টস অ্যাক্ট ২০০৭’-এর অধীনে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিবাসন বিভাগ স্পষ্ট জানিয়েছে, মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসনের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আপস করা হবে না এবং এই চক্রের সাথে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code