২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি নাদের হোসেন মাষ্টারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনায় আওয়ামী সহযোগী শেখ হাসান পলাশের অপতৎপরতা

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ৭, ২০২৫, ০৮:৩৭ অপরাহ্ণ
এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি নাদের হোসেন মাষ্টারের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনায় আওয়ামী সহযোগী শেখ হাসান পলাশের অপতৎপরতা

Manual7 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক নাদের হোসেন মাষ্টারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুৎসা রটনার অভিযোগ উঠেছে শেখ হাসান পলাশ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসান পলাশ দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে ঢাকায় অবস্থান করে বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করতেন। কিন্তু গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর হঠাৎ করেই তিনি এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

এদিকে, শেখ হাসান পলাশের অপতৎপরতার শিকার হয়েছেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও গরিবের বন্ধু হিসেবে খ্যাত জনপ্রিয় চিকিৎসক ডা. মাইনুল হাসান সাদিকও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের নামে নানা কটূক্তি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে।

ঘটনাটি আরও তীব্র হয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার)। সেদিন গাইবান্ধা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী মাহমুদুন্নবী টিটু অংশ নেন ডিবিসি টেলিভিশনের ইলেকশন এক্সপ্রেস অনুষ্ঠানে।

Manual4 Ad Code

একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেখ হাসান পলাশও। প্রোগ্রাম শেষে ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি সাদিকুল ইসলাম নান্নু মিয়া পলাশকে প্রশ্ন করেন, তুমি একজন ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি হয়েও জেলা বিএনপি সভাপতি ও আমার নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্টাপাল্টা লেখো, এটা কীভাবে সম্ভব।

Manual7 Ad Code

এ কথা শুনে পলাশ ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন এবং নান্নু মিয়ার ওপর হামলার চেষ্টা চালান।

Manual7 Ad Code

পরে উপস্থিত নেতাকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে পলাশ স্থান ত্যাগ করেন। এই ঘটনার পর বিএনপি’র স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, শেখ হাসান পলাশ দলের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে বিএনপি’র ভাবমূর্তি নষ্টের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, দলকে ভালোবাসি বলেই সহ্য করছি। কিন্তু একজন আওয়ামী সহযোগীর হাতে আমাদের নেতাদের মানহানি হতে পারে না। স্থানীয় বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা দ্রুত তদন্ত করে শেখ হাসান পলাশের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code