৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না গাইবান্ধা জেলা কারাগারে মৃত্যু বরণ করেছেন।

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না গাইবান্ধা জেলা কারাগারে মৃত্যু বরণ করেছেন।

Manual1 Ad Code

শেখ আসাদুজ্জামান আহমেদ টিটু

Manual8 Ad Code

গাইবান্ধা জেলা কারাগারে আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না (৬৮) নামের এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর রবিবার মধ্যরাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে দ্রুত গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Manual3 Ad Code

নিহত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না জেলার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।

Manual6 Ad Code

তিনি গাইবান্ধা শহরের মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা এবং কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে।

অন্যদিকে পরিবারের অভিযোগ,দীর্ঘদিন নানা রোগে ভুগলেও তাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাগারে নেওয়ার পর তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং সেখানে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এ কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের।

মুন্নার ছেলে সৌমিক গণমাধ্যমে দাবী করেন,বাবা দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তবু তাকে রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার করা হয়। কারাগারে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন প্রথমে তার বাবাকে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আগুন-ভাঙচুর ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। দীর্ঘদিন জেল খাটার পর তিনি জামিন পান। পরে জামিনে মুক্তি পেলেও জেলগেটে আরেকটি মামলায় পুলিশ তাকে পুনরায় গ্রেফতার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা কারাগারের জেলার আতিকুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন,তার বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা রয়েছে। চলতি মাসের ২ তারিখে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

Manual7 Ad Code

রবিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়,যেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি প্রেশার, ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। তবে কারাগারে তার চিকিৎসার বিষয়ে কোনও অবহেলা ছিল না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code