১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রায় দেড় বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন ম্যাগুয়ের।

editor
প্রকাশিত মার্চ ২০, ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ণ
প্রায় দেড় বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন ম্যাগুয়ের।

Manual2 Ad Code

প্রায় দেড় বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন ম্যাগুয়ের।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মাঝে সময়টা একেবারেই ভালো কাটেনি হ্যারি ম্যাগুয়েরের। ছন্দ হারিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাদশেও জায়গা পাননি নিয়মিত, বাদ পড়েছিলেন জাতীয় দল থেকেও। সেই কঠিন সময় পার করে আবারও নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন এই ডিফেন্ডার। ক্লাবের শুরুর একাদশে নিয়মিত হওয়ার পর এবার ইংল্যান্ড জাতীয় দলেও জায়গা ফিরে পেলেন হ্যারি।দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরলেন হ্যারি ম্যাগুয়ের।

Manual3 Ad Code

আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসতে যাচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপের আসর। তারই প্রুস্ততি হিসেবে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে উরুগুয়ে ও জাপানের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। সেই দুই ম্যাচের জন্য ৩৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ টমাস টুখেল।

২৭ মার্চ ‍উরুগুয়ের বিপক্ষে ও এর চান দিন পর জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড। দুটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হতে ওয়েম্বলিতে।

Manual3 Ad Code

জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৪টি ম্যাচ খেলেছেন ম্যাগুয়ের। দেশের হয়ে সবশেষ খেলেছেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। ওই বছরের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের দলে ছিলেন না তিনি। সেই আসরে রানার্সআপ হয়েছিল ইংলিশরা।

গত কয়েক সপ্তাহে ম্যাগুইয়ার ও তার দল ইউনাইটেডের পারফরম্যান্স ছিল বেশ চমকপ্রদ। এই ধারাবাহিক ভালো খেলাই মূলত তাকে আলোচনায় এনে দিয়েছে। একই সঙ্গে, ক্লাবের হয়ে দারুণ ছন্দে থাকা তার সতীর্থ মিডফিল্ডার কোবি মেইনুকেও দলে অন্তর্ভুক্ত করেছেন টুখেল।

Manual8 Ad Code

চোট থেকে সেরে ওঠার পথে থাকলেও এখনও পুরোপুরি ফিট নন নিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। তবুও তাকে দলে রেখেছেন ইংল্যান্ড কোচ। তবে রিয়ালের ডিফেন্ডার ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড দলের বাইরেই আছেন।

বিশ্বকাপের মূল আসর শুরুর আগে ইংল্যান্ড আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে— নিউ জিল্যান্ড ও কোস্টা রিকার বিপক্ষে। আগামী ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে ইংল্যান্ড। ‘এল’ গ্রুপে তাদের বাকি দুই প্রতিপক্ষ পানামা ও ঘানা।

Manual8 Ad Code

আগামী ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ইংল্যান্ড। এছাড়া ‘এল’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ পানামা ও ঘানা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code