২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ভারত ম্যাচ বর্জনকে পাকিস্তানের ‘নাটক’ বলছেন হরভজন

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ণ
ভারত ম্যাচ বর্জনকে পাকিস্তানের ‘নাটক’ বলছেন হরভজন

Manual3 Ad Code

ভারত ম্যাচ বর্জনকে পাকিস্তানের ‘নাটক’ বলছেন হরভজন

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ নানা নাটকীয়তার পর পাকিস্তান জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে তারা। তবে ভারতের বিপক্ষে হওয়ার গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি বয়কট করেছে পিসিবি। পাকিস্তানের এমন সিদ্ধান্তকে ‘নাটক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার হরভজন সিং।

Manual5 Ad Code

পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলেছেন হরভজন। ভারতের সাবেক এই স্পিনার বলেছেন, বাংলাদেশের পাশে থাকার অভিনয় করছে পাকিস্তান।

Manual4 Ad Code

হরভজন বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানের কী লাভ হবে? এটা পুরোপুরি নাটক। যদি সত্যিই তারা সাহসী হয়, তাহলে নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকুক। দেখা যাক, তাদের আসল সাহস কতটুকু।’

হরভজনের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য নেয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘নিজেদের দেশের সেই সমর্থকদের কথা কী তারা ভেবেছে, যারা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে চায়?’

Manual2 Ad Code

এদিকে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি মানেনি আইসিসি। যার কারণে বিশ্বকাপ বয়কট করে বাংলাদেশ এবং তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেয়া হয়। এই সময় বাংলাদেশের পাশে ছিল শুধুই পাকিস্তান। হরভজনের প্রশ্ন, বাংলাদেশের ইস্যুতে পাকিস্তান কেন নিজেদের জড়াচ্ছে।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, ‘আগেও নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ম্যাচ হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও তারা এশিয়া কাপে খেলেছে, কারণ রাজস্ব ছাড়তে চায়নি। তখন দেশপ্রেম কোথায় ছিল?

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code