৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

Manual7 Ad Code

মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ওমেন’স এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে উড়ছে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল। টানা তৃতীয় জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে টাইগ্রেসরা। এবার মালয়েশিয়া নারী দলকে উড়িয়ে দিয়েছে ফাহিমা খাতুনের দল।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন লতা মণ্ডল।

Manual5 Ad Code

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যাংককে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের গ্রুপ বি’র ম্যাচে মালয়েশিয়া নারী দলকে ৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল।এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ২০ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেটে ৬১ রান করতে সমর্থ হয় মালয়েশিয়া নারী দল।

ব্যাটে বলে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে লতা মণ্ডল এদিন আলো কেড়ে নিয়েছেন। ৪৪ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলার পর বল হাতে ২ ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে ১ উইকেট শিকার করেছেন লতা।
বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য এদিন ভালো হয়নি। প্রথম ওভারে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন ইশমা তানজিম। আরেক ওপেনার রুবিয়া হায়দার ১১ বলে ১৪ রান করে আউট হন। দলীয় ৪২ রানে সুমাইয়া (০) রানআউট হন।

Manual3 Ad Code

অষ্টম ওভারে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দারুণ খেলতে থাকা শারমিন আক্তারও বিদায় নেন। ২৫ বলে ৩ চারে ৩০ রান করে আউট হন শারমিন। বাংলাদেশের দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ৫২ রানে ৪ উইকেট। লতা মণ্ডল ও অধিনায়ক ফাহিমা খাতুনের মধ্যে এবার ৫৫ রানের জুটি হয়। দলীয় ১০৭ রানে বিদায় নেন ফাহিমা। ২৪ বলে ৩ চারে ২৯ রান করেন টাইগ্রেস দলপতি।

Manual6 Ad Code

সাতে নেমে ১১ বলে ২ ছক্কায় ১৯ রানের ক্যামিও খেলেন সাদিয়া আক্তার। ২০তম ওভারের শেষ বলে আউট হন লতা। তার ৪৪ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে ছিল ৪টি চারের মার।মালয়েশিয়ার নুর দানিয়া ২টি, আইনা হামিজাহ, নুর আরিয়ানা, মাহিরাহ ইজ্জতি ও মাস এলিসা ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের তোপে হাঁসফাঁস করতে থাকেন মালয়েশিয়ার মেয়েরা। সাতে নামা নুর আরিয়ানা ছাড়া আর কেউই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি। ২৪ বলে ৩ চারে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন আরিয়ানা।
ফাতেমা জাহান ৪ ওভারে ১০ রানে ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া শরিফা খাতুন ২টি, ফারজানা ইয়াসমিন, ইশমা ও লতা ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code