বিশ্বকাপের সব ম্যাচের টিকিট ‘বিক্রি শেষ’, নিশ্চিত করলো ফিফা।
স্বপ্না শিমুঃ মাস চারেক পরেই মাঠে গড়াবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের ১০৪টি ম্যাচের সব টিকিটই ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করলো ফিফা।
চার মাস আগেই বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি শেষ।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, মূল বিক্রয় পর্বের চার সপ্তাহেই টিকিটের জন্য আবেদন পড়েছে ৫০ কোটি ৮০ লাখের বেশি। অথচ ওই সময়ে বিক্রির জন্য ছিল প্রায় ৭০ লাখ আসন। চাহিদা-জোগানের এই বিশাল ব্যবধানের মধ্যেই সব আসন বরাদ্দ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
ফিফা সভাপতির দাবি, অংশগ্রহণকারী ১০৪ ম্যাচের মধ্যে ৭৭টি ম্যাচের প্রতিটিতেই টিকিটের আবেদন ছিল ১০ লাখের বেশি। ২০০টিরও বেশি দেশ থেকে আবেদন আসায় ফুটবলের বৈশ্বিক আকর্ষণ আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, দর্শকসংখ্যা ও আগ্রহের দিক থেকে এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের নতুন রেকর্ড গড়বে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। ফিফা জানিয়েছে, সব ম্যাচের টিকিট বরাদ্দ হয়ে গেলেও পুরো কোটার একটি অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এই অবশিষ্ট টিকিটের জন্য আলাদা একটি বিক্রয়পর্ব শুরু হবে আগামী এপ্রিল থেকে, যা চলবে টুর্নামেন্টের শেষ দিন ১৯ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত।
এই শেষ ধাপের টিকিট বিক্রি হবে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে। অর্থাৎ, আগের ধাপে অধিকাংশ আসন বরাদ্দ হয়ে গেলেও সীমিতসংখ্যক টিকিট তখনও সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।
২০২৬ আসরেই প্রথমবারের মতো ৪৮ দল অংশ নেবে বিশ্বকাপে। আয়োজক তিন দেশ— যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় সব মিলিয়ে ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ম্যাচসংখ্যা ও দল বৃদ্ধির কারণে দর্শকসংখ্যা এবং বাণিজ্যিক আয়ের ক্ষেত্রেও নতুন মাইলফলক গড়ার প্রত্যাশা করছে ফিফা।ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভাষায়, ‘এই বিশ্বকাপ শুধু ক্রীড়া নয়, বৈশ্বিক উৎসব। টিকিটের বিপুল চাহিদাই তার প্রমাণ।’
Sharing is caring!