২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

উট দৌড়ের দলে বিনিয়োগ করলেন পগবা

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৩:০৬ অপরাহ্ণ
উট দৌড়ের দলে বিনিয়োগ করলেন পগবা

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

উটের দৌড় খেলায় নাম লেখালেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা পল পগবা। সৌদি আরবভিত্তিক দল ‘আল হাবুব’-এ বিনিয়োগ করে উট দৌড় খেলায় নতুন যাত্রা শুরু করলেন তিনি। উট দৌড়ের দলে বিনিয়োগ করেছেন পল পগবা।

মোনাকোর এই মিডফিল্ডার এখন আল হাবুবের শেয়ারহোল্ডার ও অ্যাম্বাসেডর, যা সংযুক্ত আরব আমিরাত ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিযোগিতা করতে যাওয়া বিশ্বের প্রথম পেশাদার উট দৌড় দল।

পগবা বিবিসি স্পোর্টকে বলেন, ‘ইউটিউবে অনেক উট দৌড় দেখেছি, আর ফাঁকা সময়ে কৌশল ও টেকনিক বুঝতে গবেষণাও করেছি। যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে তা হলো এ খেলায় জড়িত সবার অদম্য পরিশ্রম ও নিবেদন। শেষ পর্যন্ত খেলাধুলা মানেই মন, ত্যাগ আর দলগত প্রচেষ্টা।’

২০১৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে ট্রফি জেতানো এই তারকা বলেন, ‘মানুষ হয়তো বুঝতে পারে না, কিন্তু খেলাধুলা একে অপরের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে সংযুক্ত। ফুটবল, উট দৌড়, বক্সিং—সব ক্ষেত্রেই ভিত্তি একই। চাই দৃঢ়তা, মনোযোগ, শৃঙ্খলা আর কঠোর পরিশ্রম। এগুলোই শেষ পর্যন্ত একজনকে চ্যাম্পিয়ন বানায়।’ৎ

২০১৬ সালে জুভেন্টাস থেকে ৮৯ মিলিয়ন পাউন্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার সময় পগবা ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলার। উটের দৌড় প্রতিযোগিতায় নাম লেখানোর বিষয়ে আরও বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার হওয়া যেমন সম্মান ছিল, তেমনি এর সঙ্গে ছিল কঠোর পরিশ্রম, চাপ ও দায়িত্ব।

একদিন বিশ্বের সবচেয়ে দামি উটের মালিক হওয়া—এটা হবে দারুণ একটা ‘চক্রপূরণ’। মজা, অর্থপূর্ণ ও উত্তেজনাকর কিছু। হয়তো একদিন এটা সত্যি হবে।’ ওমর আলমাইনা ও সাফওয়ান মোদির প্রতিষ্ঠিত আল হাবুব আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতা করা প্রথম আধুনিক উট দৌড় দল।

আলমাইনা বলেন, ‘পলের সম্পৃক্ততা অসাধারণ পরিবর্তন আনবে। তার প্রভাব, নেতৃত্ব আর সংস্কৃতিকে গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরার আবেগ আমাদের দলের মূল দর্শনের সঙ্গেই মেলে।

Manual2 Ad Code

এই অংশীদারি শুধু দৌড় নয়; এটি এমন এক ঐতিহ্যকে বিশ্বে পরিচিত করার মিশন।’ গত ২২ নভেম্বর রেনের বিপক্ষে মোনাকোর ৪-১ গোলে জয়ের ম্যাচে শেষ মুহূর্তে বদলি হিসেবে নেমে পগবা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটান।

Manual3 Ad Code

২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই ফরাসি তারকা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর জুভেন্টাসের হয়ে এমপোলির বিপক্ষে ম্যাচের পর আর খেলেননি। চার বছরের ডোপিং নিষেধাজ্ঞা ক্রীড়া সালিশি আদালত (সিএএস) কমিয়ে ১৮ মাস করলে তিনি ফেরার সুযোগ পান।

Manual3 Ad Code

পগবা দাবি করেছেন, তিনি ভুলবশত এমন একটি সাপ্লিমেন্ট নিয়েছিলেন যাতে নিষিদ্ধ পদার্থ ছিল—যা তিনি জানতেন না।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code