২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

মালদ্বীপে বিএনপির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৯, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপে বিএনপির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

Manual2 Ad Code

মালদ্বীপে বিএনপির উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপির মালদ্বীপ শাখা। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে রাজধানী মালের সী-বিল্ডিং-এর হলরুমে সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতাকর্মীরা মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

Manual6 Ad Code

গত শুক্রবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে বিএনপির মালদ্বীপ শাখা।

গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ৫৫তম বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুক্রবার আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে মালদ্বীপ বিএনপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য এসএম জিলানী।

Manual2 Ad Code

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো. খলিলুর রহমান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম ও সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা বশীর আপেল, গোপালগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের সভাপতি রওশন আরা ও মালদ্বীপ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এরপর স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান নেতাকর্মীরা, বিশেষভাবে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে।

Manual8 Ad Code

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এসএম জিলানী বিএনপির সকল নেতাকর্মী ও মালদ্বীপে বসবাসরত সকল প্রবাসীদের মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস এবং জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও তার সাহসিকতা নিয়ে আলোকপাত করেন।

Manual3 Ad Code

এরপর বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতির বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে-বিদেশে পলাতক ফ্যাসিস্টের দোসররা বিভিন্ন ধরনের ফেইক আইডি বানিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে ফেইসবুকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোসহ নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের এমন আয়োজনে দেশপ্রেম আর ঐক্যের বার্তা ফুটে উঠেছে। একইসাথে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে আলোচনা সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রাখেন বিএনপি মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো. খলিলুর রহমান।এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহামানের সুস্থতা কামনা কারার পাশাপাশি মালদ্বীপে বসবাসরত নেতাকর্মীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন তিনি।

আলোচনা পর্ব শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন সংগঠনটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। এরপর উৎসবমুখর পরিবেশে মালদ্বীপ বিএনপির পক্ষ থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিহাস, জাতীয় চেতনা ও গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরতে মালদ্বীপ বিএনপি’র আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে বিএনপিও এর অংগসংগঠনের নেতাকর্মীদের মিলনমেলায়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code