১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কুয়েতের বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্রে ইরানের হামলায় ভারতীয় নিহত

editor
প্রকাশিত মার্চ ৩১, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
কুয়েতের বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্রে ইরানের হামলায় ভারতীয় নিহত

Manual4 Ad Code

কুয়েতের বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্রে ইরানের হামলায় ভারতীয় নিহত

শেখ স্বপ্না শিমুঃ কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে যে, কর্তৃপক্ষের বর্ণনা অনুযায়ী রোববার সন্ধ্যায় ইরানি হামলায় একটি প্রধান বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রের একজন ভারতীয় শ্রমিক নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে একটি পরিষেবা ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।মন্ত্রণালয় সোমবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েবসাইট এক্স-এ একটি পোস্টে এই তথ্য জানায়।

Manual7 Ad Code

মন্ত্রণালয়ের সরকারি মুখপাত্রের জারি করা এক বিবৃতি অনুসারে, এই হামলায় কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্রের পরিষেবা ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, যার ফলে একজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয় এবং স্থাপনাটির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, কুয়েত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে কুয়েত শহরের একটি বিদ্যুৎ ও পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রের ওই পরিষেবা ভবনে হামলা চালানো হয়।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ কয়েক’শ মানুষ নিহত হন। এরপর ইরান মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরাইলের অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার ঘোষণা দেয়। ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং প্ল্যান্টের পরিচালন ক্ষমতা বজায় রাখতে অনুমোদিত জরুরি পরিকল্পনার অধীনে অবিলম্বে কারিগরি ও জরুরি দল মোতায়েন করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি সুরক্ষিত করার জন্য কুয়েতের নিরাপত্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ের মাধ্যমে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

এদিকে, লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (ইউএনআইএফআইএল) সোমবার জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের আদচিত আল কুসায়রের কাছে ইউনিফিলের একটি অবস্থানে নিক্ষিপ্ত গোলার আঘাতে একজন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী নিহত এবং অন্যজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code