২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা ইরান নয়, ইসরাইল চালিয়েছে: আইআরজিসি

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ণ
রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা ইরান নয়, ইসরাইল চালিয়েছে: আইআরজিসি

Manual8 Ad Code

রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা ইরান নয়, ইসরাইল চালিয়েছে: আইআরজিসি

শেখ স্বপ্না শিমুঃ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে হামলার সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশেষ শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, ড্রোন হামলাটি ইরান নয়, বরং ইসরাইল চালিয়েছে।
সংঘাতের চারদিনের মাথায় গত ৩ মার্চ ভোরে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে। ইরানের রাজধানী তেহরানে চালানো হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নিহত হন।

Manual2 Ad Code

জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। সংঘাতের চারদিনের মাথায় গত ৩ মার্চ ভোরে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। তখন ভবনটিতে আগুন লেগে আংশিক ক্ষয়ক্ষতির কথা জানানো হয়।

প্রায় এক মাস পর শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ওই হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ যে তথ্য দিয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর ছিল।

Manual1 Ad Code

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যেখানে ছোটখাটো আগুন ও সামান্য ক্ষতির কথা বলেছিল, বাস্তবে আগুনটি কয়েক ঘণ্টা ধরে জ্বলেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে আইআরজিসি এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে। শুধু তাই ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই প্রতিবেদনেরও নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘এই হামলার সঙ্গে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কোনো সম্পর্ক নেই।’ তাদের মতে, অঞ্চলে ইসরাইলের কৌশল বিবেচনায় এটি ‘নিশ্চিতভাবে জায়নিস্টদের কাজ।’

Manual7 Ad Code

আইআরজিসি আরও সতর্ক করে বলেছে, মুসলিম দেশগুলোকে ‘জায়নিস্ট শাসনের ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে এবং ‘আমেরিকা-জায়নিস্টদের অঞ্চল অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা’ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code