১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: ব্যবসায় ধস, ক্ষতির মুখে ইতালি প্রবাসী ব্যবসায়ীরা

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: ব্যবসায় ধস, ক্ষতির মুখে ইতালি প্রবাসী ব্যবসায়ীরা

Manual5 Ad Code

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: ব্যবসায় ধস, ক্ষতির মুখে ইতালি প্রবাসী ব্যবসায়ীরা

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইতালিতে রয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তবে প্রবাসীদের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পর্যটন এলাকায় হওয়ায়, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত: ব্যবসায় ধস, ক্ষতির মুখে ইতালি প্রবাসী ব্যবসায়ীরা

Manual4 Ad Code

পশ্চিম ইউরোপের প্রাচীন সভ্যতার নান্দনিক সৌন্দর্যের দেশ ইতালি। প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মুদি, মুদ্রা বিনিময়, কৃষি, বাংলাদেশি খাবারের রেস্টুরেন্টের বাইরেও প্রায় ষাট শতাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পর্যটক নির্ভর এলাকায় গড়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পর্যটন নির্ভর ব্যবসার ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। মধ্যবাচ্যের যুদ্ধের কারণে এরইমধ্যে ফ্লাইট বিপর্যয়ের মুখে স্থবির হয়ে পড়েছে পর্যটন ব্যবসা।

Manual8 Ad Code

প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, যুদ্ধের কারণে পর্যটক অনেক কমে গিয়েছে। যার প্রভাব পড়ছে আয় রোজগারে। ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখতে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ হওয়া দরকার।

ইতালির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক বিদেশিরা। যা দেশটির মোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ১১ শতাংশ। ইতালির বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসার সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। গত ৫ বছরেই বেড়েছৈ প্রায় ৬২ শতাংশ।

Manual2 Ad Code

গত চার বছর ইতালি থেকে বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন প্রবাসীরা। যার অন্যতম কারণ প্রবাসী ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code