৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ইউনাইটেডের কোচের দায়িত্বই বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন কাজ: পোস্টেকোগলু।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ণ
ইউনাইটেডের কোচের দায়িত্বই বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন কাজ: পোস্টেকোগলু।

Manual3 Ad Code

ইউনাইটেডের কোচের দায়িত্বই বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন কাজ: পোস্টেকোগলু।

স্বপ্না শিমুঃ গত কয়েক বছর ধরে বাজে সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। যার রেশ ধরে বরখাস্ত হচ্ছেন একের পর এক কোচ। সাবেক টটেনহ্যাম ও নটিংহ্যাম ফরেস্ট কোচ অ্যাঞ্জ পোস্টেকোগলু মনে করেন, রেড ডেভিলদের ম্যানেজারের দায়িত্বই ‘বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন কাজ’।
সাবেক টটেনহ্যাম ও নটিংহ্যাম ফরেস্ট কোচ অ্যাঞ্জ পোস্টেকোগলু।

Manual3 Ad Code

গত অক্টোবরে ফরেস্টের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া পোস্টেকোগলু দ্য ওভারল্যাপ পডকাস্টে বলেন, ‘এই ক্লাবকে ঘিরে যে পরিমাণ নজরদারি আর চাপ থাকে, তাতে এটা বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন চাকরি।’

জোসে মরিনহোর বিদায়ের পর গত ৭ বছরে ৭ জন কোচ বদল করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পোস্টেকোগলুর মতে, ইউনাইটেডের কোচ হওয়া মানে শুধু ম্যাচ জেতা-হারার হিসাব নয়। এখানে বছরে অসংখ্য সংবাদ সম্মেলনের চাপ, একটি হারেই তীব্র সমালোচনা, ক্লাবের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের ভার, দ্রুত সাফল্যের অযৌক্তিক প্রত্যাশা; সব একসঙ্গে ভর করে।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, ‘দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম। এমন একজন ব্যক্তিত্ব দরকার, যিনি সমালোচনা সামলে নিজের পথেই এগোতে পারবেন।রুবেন আমোরিক ১৪ মাস দায়িত্ব পালনের পর বরখাস্ত হন। ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ১৫তম স্থানে শেষ করার পাশাপাশি ইউরোপা লিগের ফাইনালেও হেরে যায় ইউনাইটেড।

তার বিদায়ের পর জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেন মাইকেল ক্যারিক। তার অধীনে দল বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। তবে ২০২৫-২৬ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ থাকলেও ক্যারিকের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি ক্লাব।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code