
স্বপ্না শিমুঃ গত কয়েক বছর ধরে বাজে সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। যার রেশ ধরে বরখাস্ত হচ্ছেন একের পর এক কোচ। সাবেক টটেনহ্যাম ও নটিংহ্যাম ফরেস্ট কোচ অ্যাঞ্জ পোস্টেকোগলু মনে করেন, রেড ডেভিলদের ম্যানেজারের দায়িত্বই ‘বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন কাজ’।
সাবেক টটেনহ্যাম ও নটিংহ্যাম ফরেস্ট কোচ অ্যাঞ্জ পোস্টেকোগলু।
গত অক্টোবরে ফরেস্টের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাওয়া পোস্টেকোগলু দ্য ওভারল্যাপ পডকাস্টে বলেন, ‘এই ক্লাবকে ঘিরে যে পরিমাণ নজরদারি আর চাপ থাকে, তাতে এটা বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে কঠিন চাকরি।’
জোসে মরিনহোর বিদায়ের পর গত ৭ বছরে ৭ জন কোচ বদল করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পোস্টেকোগলুর মতে, ইউনাইটেডের কোচ হওয়া মানে শুধু ম্যাচ জেতা-হারার হিসাব নয়। এখানে বছরে অসংখ্য সংবাদ সম্মেলনের চাপ, একটি হারেই তীব্র সমালোচনা, ক্লাবের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের ভার, দ্রুত সাফল্যের অযৌক্তিক প্রত্যাশা; সব একসঙ্গে ভর করে।
তিনি বলেন, ‘দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম। এমন একজন ব্যক্তিত্ব দরকার, যিনি সমালোচনা সামলে নিজের পথেই এগোতে পারবেন।রুবেন আমোরিক ১৪ মাস দায়িত্ব পালনের পর বরখাস্ত হন। ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ১৫তম স্থানে শেষ করার পাশাপাশি ইউরোপা লিগের ফাইনালেও হেরে যায় ইউনাইটেড।
তার বিদায়ের পর জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেন মাইকেল ক্যারিক। তার অধীনে দল বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। তবে ২০২৫-২৬ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ থাকলেও ক্যারিকের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি ক্লাব।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক -শেখ তিতুমীর আকাশ।
বার্তা প্রধান : মোঃ সেলিম উদ্দিন
ইমেইল: dailyswadhinbhasha@gmail.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.swadhinbhasha.com কর্তৃক সংরক্ষিত।