৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাচনের পর একান্ত সাক্ষাৎকার, যা বললেন ডা. শফিকুর রহমান

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
নির্বাচনের পর একান্ত সাক্ষাৎকার, যা বললেন ডা. শফিকুর রহমান

Manual7 Ad Code

নির্বাচনের পর একান্ত সাক্ষাৎকার, যা বললেন ডা. শফিকুর রহমান

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ বিরোধী দল হিসেবে সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখবে জামায়াত। জনগণের ক্ষমতায়নে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা সমুন্নত রাখতে এবং নাগরিক অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে তার দল।
জামায়াত জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে সংসদে ভূমিকা রাখবে বললেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

Manual4 Ad Code

নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের পর সময় সংবাদের মুখোমুখি হন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। জানান, দল নিয়ে তার আগামী দিনের পরিকল্পনার কথা। তিনি জানান, জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে সংসদে ভূমিকা রাখবে জামায়াত। সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে শক্তিশালী করবে গণতন্ত্র।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের সরকার গঠনের সম্ভাবনা এবার অন্তত নাই, সবাই বুঝতে পারছি। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা মনে করি, যেটুকু পেয়েছি এটা দিয়েই দেশের সেবা করতে পারবো এবং উদারহরণও তৈরি করতে পারবো। দেশের স্বার্থে সরকার কোনো উদ্যোগ নিলে আমরা সমর্থন দেব। আবার যদি দেশ এবং জনগণের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়, তাহলে চাটুকারিতা করবো না।’

Manual8 Ad Code

সংসদে গেলেও সরকারের অতিরিক্ত কোনো সুবিধা নেবে না উল্লেখ করে স্থানীয় জনগণের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে নিজেদের উজাড় করে দেবেন বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।
নির্বাচনী ফল ঘোষণার পর সময় সংবাদকে একান্ত সাক্ষাৎকার দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

Manual6 Ad Code

তিনি বলেন, ‘দেশবাসীর প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। হয়তো সরকারি সুযোগ সুবিধা কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে অনেক কিছু আমাদের হাতে থাকবে না। এরপরও জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ তো আমাদের থাকবে। আমাদের একনম্বর অগ্রাধিকার জনগণ, দুই নম্বর অগ্রাধিকার জনগণ এবং তিন নম্বর অগ্রাধিকারও থাকবে জনগণ। জনগণকে নিয়েই আমাদের সব কিছু হবে।’

Manual5 Ad Code

যেকোনো ধরনের প্রতিহিংসা বর্জন করে দেশের সব নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিতে জামায়াত ভূমিকা রাখবে বলেও প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন দলটির প্রধান।তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি, এমন বক্তব্য দিবো না যেটা আমরা মানতে পারবো না বা মানবো না। যা বলেছি ইনশাআল্লাহ আমরা মানবো। ভালো কাজে সমর্থন আর মন্দ কাজে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।’

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code