৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নারী ফুটবল লিগ টানা চার হারের পর প্রথম জয়ের দেখা পেলো নাসরিন একাডেমি

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
নারী ফুটবল লিগ টানা চার হারের পর প্রথম জয়ের দেখা পেলো নাসরিন একাডেমি

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বড় ব্যবধানের হার দিয়ে এবারের নারী ফুটবল লিগ শুরু করে নাসরিন একাডেমি। প্রথম চার ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি দলটি। অবশেষে জয়ের স্বাদ পেলো শিরোপাধারী নাসরিন একাডেমি।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) কমলাপুরের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে পপি রানী ও আসমা খাতুনের হ্যাটট্রিকে করাচিপাড়া একাদশকে ৯-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে তারা।
টানা চার ম্যাচ হারের প্রথম জয়ের দেখা পেলো নাসরিন একাডেমি।

Manual4 Ad Code

ম্যাচের ১০ মিনিটে দলকে লিড এনে দেন পপি। এরপর ৩৫ ও ৪২তম মিনিটে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন পপি। এরপর আরও দুইবার জালের দেখা পান তিনি। পঞ্চম রাউন্ডে আজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে পাঁচটি। এদিন গোল হয়েছে মোট ৩৩টি, হ্যাটট্রিক হয়েছে ৪টি।

Manual7 Ad Code

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে উন্নতি খাতুনের হ্যাটট্রিকে ৭-০ ব্যবধানে ঢাকা রেঞ্জার্সকে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উন্নতি জালের দেখা পেয়েছেন চারবার। এছাড়া জয়নব বিবি রিতা দুটি ও সুলতানা একটি গোল করেন।

সদ্যপুস্করনী যুব স্পোর্টিং ক্লাবকে ৭-০ গোলে হারিয়েছে ফরাশগঞ্জ এসসি। এ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। দ্বাদশ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর প্রথমার্ধের শেষ দিকে জোড়া গোলে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি।

এরপর আরও একবার জালের দেখা পান দুইবারের সাফজয়ী এই ফরোয়ার্ড। এছাড়া অনামিনা ত্রিপুরা, পুজা ও শামসুন্নাহার সিনিয়র একটি করে গোল করেছেন।

দিনের চতুর্থ ম্যাচে আনসার ও ভিডিপিকে ৮-০ গোলে হারিয়েছে রাজশাহী স্টার্স। ১৫ মিনিটে গোল করে দলকে লিড এনে দেন আলপি আক্তার।

Manual4 Ad Code

এরপর রেশমা আক্তার দুবার এবং শাহেদা আক্তার রিপা, সুরভী আকন্দ প্রীতি, ঋতুপর্ণা চাকমা, মুনকি আক্তার ও পুজা দাস একবার জালের দেখা পেয়েছেন।

Manual1 Ad Code

দিনের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে ছিল অন্যরকম উত্তাপ। ৫৬তম মিনিটে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ হয় সাগরিকা ও বিকেএসপির গোলকিপারের সাথে। রেফারি দেন পেনাল্টির বাঁশি। সিদ্ধান্তে অসন্তোষ জানিয়ে মাঠ ছাড়েন বিকেএসপির খেলোয়াড়েরা। তাতে খেলা বন্ধ থাকে প্রায় ১৫ মিনিট।

রেফারির সিদ্ধান্ত মেনে মাঠে ফিরে বিকেএসপি। সফল স্পট কিকে পুলিশকে এগিয়ে নেন আইরিন খাতুন। আর এই এক গোলেই পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে পুলিশ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code