২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সেমিনার, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৩:০৪ অপরাহ্ণ
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সেমিনার, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আলোচনা

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পার্লামেন্টের বর্তমান ও সাবেক সদস্যরা।

গত বুধবার লন্ডনের হাউস অব লর্ডসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত, নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক সেমিনারটি।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতির জন্য জরুরি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সেমিনারে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতাও কামনা করা হয়।

লন্ডনের হাউস অব লর্ডসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত, নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক সেমিনারটি।

Manual2 Ad Code

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন অবশ্যই হতে হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ‘ভয়েস ফর বাংলাদেশ ইউকে’ আয়োজিত ‘তারেক রহমানের নীতি ও রাজনীতি; সমকালীন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নেন ব্রিটিশ এমপি, হাউস অব লর্ডসের সদস্য, আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

Manual4 Ad Code

হাউস অব লর্ডসের লর্ড হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আতাউল্যাহ ফারুক; যিনি ভয়েস ফর বাংলাদেশ ইউকে-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আইঅন টিভির সিইও। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন নিয়ে বিশ্লেষণ তুলে ধরেন বক্তারা।

Manual1 Ad Code

অ্যামেনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সাবেক প্রধান আব্বাস ফয়েজ বলেন, ‘বেগম জিয়া অত্যন্ত কঠিন সময় পার করেছেন শেখ হাসিনার আচরণের কারণে। আমি আশা করি তিনি দ্রুত সেরে উঠবেন।’

ব্রিটিশ হাউস অব কমন্সের সদস্য লর্ড হোসাইন বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে ড. ইউনূস শিগগিরই সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবেন এবং বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার পাবে। সেটাই আমরা দেখতে চাই।’

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক আইনজীবী রায়ান উইলিয়াম বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সেটি নিশ্চিত হলেই আমরা সমর্থন করব।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code