২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইমরান খান ইস্যুতে ইলন মাস্কের কাছে যে আবেদন জানালেন সাবেক স্ত্রী

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ইমরান খান ইস্যুতে ইলন মাস্কের কাছে যে আবেদন জানালেন সাবেক স্ত্রী

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিরোধী দল তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) কারাবন্দি নেতা ইমরান খান ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মালিক ইলন মাস্কের কাছে একটি আবেদন জানিয়েছেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা গোল্ডস্মিথ।

Manual6 Ad Code

ইমরান খানকে নিয়ে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) এক্স-এ ইলন মাস্ককে উদ্দেশ করে একটি পোস্ট দেন সাবেক স্ত্রী জেমিমা গোল্ডস্মিথ।

Manual3 Ad Code

জেমিমা অভিযোগ করেন, ইমরান খানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে করা তার পোস্টগুলো এক্সে ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে দেয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, ইমরান খানের সঙ্গে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের আচরণ এবং তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে এক্স-এ দেয়া তার পোস্টগুলো জনসাধারণের কাছে পৌঁছাচ্ছে না।

এর কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন, তার অ্যাকাউন্টে ‘ভিজিবিলিটি ফিল্টারিং’ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে এটা যেন প্রত্যাহার করা হয় সেই আবেদন জানান তিনি।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) এক এক্স পোস্টে ইলন মাস্ককে উদ্দেশ করে জেমিমা গোল্ডস্মিথ বলেন, ইলন, হয়তো মনে আছে আপনার সাথে আমার আগে দেখা হয়েছে।

আমি জেমিমা গোল্ডস্মিথ (খান), ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী — পাকিস্তানের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, ২০২২ সালে অপসারিত এবং এখন রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে ২২ মাস ধরে নির্মম নির্জন কারাগারে রয়েছেন।

পোস্টে বলা হয়, ‘আমাদের দুই ছেলে এতদিন তাকে দেখেনি, মাসের পর মাস তার সাথে কথা বলেনি, এমনকি তাদেরকে তার কাছে চিঠিও পাঠাতে দেয়া হয়নি।

পাকিস্তানের প্রতিটি টিভি এবং রেডিও স্টেশনে তার নাম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’

তিনি পোস্টে আরও বলেন, ‘এক্সই এখন আমাদের একমাত্র প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আমরা এই অবিচার তুলে ধরার চেষ্টা করছি। তবে যখনই আমরা ইমরানের জেলের অবস্থা, নির্জন কারাবাস বা ছেলেদের তাদের বাবার সাথে যোগাযোগের সুযোগ সম্পর্কে কিছু পোস্ট করছি, তখনই অ্যালগরিদম পোস্টটিকে সীমিত করে দিচ্ছে।

Manual1 Ad Code

জেমিমার অভিযোগ, পাকিস্তানের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার পোস্টগুলো পৌঁছানোর ক্ষমতা প্রায় ‘শূন্যে’ নামিয়ে আনা হয়েছে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনি বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে এক্স বাকস্বাধীনতা রক্ষা করবে এবং বৈধ রাজনৈতিক মত প্রকাশকে থামিয়ে দেবে না। আমি আপনাকে সেই প্রতিশ্রুতিগুলোর প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য অনুরোধ করছি।’

এর আগেও জেমিমা গোল্ডস্মিথ অভিযোগ করেছিলেন, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তার ছেলেদের বাবার সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দিচ্ছে এবং তারা দেশে গেলে গ্রেফতারের হুমকিও দেয়া হয়েছে। এদিকে ইমরান খানের বোন আলিমা খানও তার ভাইয়ের প্রতি আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

গত বুধবার (৯ ডিসেম্বর) আদিয়ালা জেলের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আট মাস ধরে আমরা এখানে আসছি। প্রতি মঙ্গলবার এসে বসি, কিন্তু আমাদের ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হচ্ছে না। তাকে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং বেআইনিভাবে আটকে রাখা হয়েছে। ইমরান খানের বিরুদ্ধে এই নির্যাতন বন্ধ করা উচিত।’

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code