২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইরানে যে কারণে হামলার অনুমোদন দিয়েছিলেন ট্রাম্প

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ০৬:২৬ অপরাহ্ণ
ইরানে যে কারণে হামলার অনুমোদন দিয়েছিলেন ট্রাম্প

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

চলতি বছরের জুনে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের মধ্যে হঠাৎ করেই যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধে ওয়াশিংটনের যোগদানের রহস্য উন্মোচন করেছে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট।
ইরান ও ইসরাইলের পতাকা।

চলতি বছরের মধ্যে ইরানের সঙ্গে পরমাণু ইস্যুতে সমঝোতার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাঁচ দফা পরোক্ষ আলোচনা হয়। এরমধ্যেই, ১৩ জুন ইসরাইল হঠাৎ সামরিক অভিযান চালায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫ জুন ইরানকে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তির প্রস্তাব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এতে হামাস ও হিজবুল্লাহর প্রতি সমর্থন বন্ধের পাশাপাশি ফোর্দো ও অন্যান্য পারমাণবিক স্থাপনা বন্ধের শর্ত ছিল। বিনিময়ে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার কথা বলা হয়।
তবে তেহরান প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে ইরানের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা ইসফাহান, নাতাঞ্জ ও ফোর্দোতে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

প্রতিবেদনে একটি সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসেই ট্রাম্পের কাছে ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার চারটি ধাপ তুলে ধরেন নেতানিয়াহু।

Manual4 Ad Code

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে ইসরাইল একা অভিযান চালাবে, দ্বিতীয় ধাপে সীমিত আকারে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে ইসরাইল নেতৃত্ব দেবে, তৃতীয়তে দুই মিত্র সম্পূর্ণভাবে একে অপরকে সহযোগিতা করবে এবং শেষে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্ব নেবে।

এই সাক্ষাতের পর থেকে মাসব্যাপী গোপন কৌশলগত পরিকল্পনা শুরু হয়। দুই সূত্র জানায়, যদিও ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করলেও ইসরাইলের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখেন।

Manual2 Ad Code

ইরানের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবলফাজেল শেকারচি জানিয়েছেন, ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের গুপ্তচর নেটওয়ার্ক নস্যাৎ হয়েছে। যুদ্ধের পর ইরানের আত্মবিশ্বাস আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেও দাাবি তার।

এদিকে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্রধান ডেভিড বার্নিয়া বলেছেন, ইরান পুনরায় পারমাণবিক প্রকল্প শুরু করতে পারবে না তা নিশ্চিত করা ইসরাইলের দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার অবর্ণনীয় ক্ষতি করেছে ইসরাইল।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code