২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

শেষ মুহূর্তে কেন একাদশ থেকে ছিটকে গেলেন স্মিথ?

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
শেষ মুহূর্তে কেন একাদশ থেকে ছিটকে গেলেন স্মিথ?

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

অ্যাডিলেড টেস্টের একদিন আগে একাদশ ঘোষণা করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সেই একাদশে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে দুইটি পরিবর্তন এসেছিল তাদের দলে। তবে অ্যাডিলেড টেস্টের একাদশে ছিলেন স্টিভেন স্মিথ। তবে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্ট শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি স্মিথের। তার জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছেন উসমান খাজা।
অসুস্থতার কারণে শেষ মুহূর্তে একাদশ থেকে ছিটকে যান স্মিথ।

Manual4 Ad Code

বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরার কারণে অ্যাডিলেড টেস্টের একাদশ থেকে শেষ মুহূর্তে বাদ পড়েন স্মিথ। প্রথম দুটি অ্যাশেজ টেস্ট জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই ব্যাটার। তার জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েই বাজিমাত করেছেন উসমান খাজা।

Manual2 Ad Code

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এক বিবৃতিতে জানায়, গত কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন স্মিথ। সোমবার সকালে অনুশীলন করতে পারেননি। ম্যাচের আগের দিন সবার আগে নেটে এলেও অসুস্থতা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে না পারায় সরে দাঁড়ান তিনি।

Manual5 Ad Code

এদিকে অ্যাডিলেড টেস্টে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। স্মিথের জায়গায় একাদশে সুযোগ পাওয়া খাজা করেছেন অর্ধশতক। যদিও ৮২ রান করে ফিরে গেছেন তিনি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৪২ রান।

Manual7 Ad Code

প্রথম দুই টেস্ট জিতে অ্যাশেজে ২-০ তে এগিয়ে আছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচ জিতলে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করবে তারা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code