২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

থাইল্যান্ডের পরবর্তী সংসদ নির্বাচন ৮ ফেব্রুয়ারি

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৮:১১ অপরাহ্ণ
থাইল্যান্ডের পরবর্তী সংসদ নির্বাচন ৮ ফেব্রুয়ারি

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

থাইল্যান্ডের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বলে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঘোষণা দিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল গত সপ্তাহে সংসদ ভেঙে দেয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

Manual6 Ad Code

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সংসদের সবচেয়ে বড় দল বিরোধী পিপলস পার্টির সঙ্গে বিরোধের জেরে আনুতিন এই সিদ্ধান্ত নেন। রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেই থাইল্যান্ড প্রতিবেশী দেশ কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতেও জড়িয়েছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।

Manual1 Ad Code

প্রতিবেদন অনুসারে, থাইল্যান্ডের নাগরিকরা এই নির্বাচনে ৫০০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে ৪০০ জন নির্বাচিত হবেন সরাসরি ভোটে এবং ১০০টি আসন বরাদ্দ থাকবে দলীয় তালিকার ভিত্তিতে।

Manual5 Ad Code

প্রতিটি দল সর্বোচ্চ তিনজন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে বলে জানা গেছে।
দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ৯ এপ্রিলের মধ্যে ভোটের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হবে, এরপর ১৫ দিনের মধ্যে নতুন সংসদকে স্পিকার নির্বাচন এবং তারপর প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করতে হবে।

আনুতিন ২০২৩ সালের আগস্টের পর থেকে থাইল্যান্ডের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু করবেন এবং জানুয়ারির শেষ দিকে সংসদ ভেঙে দেবেন– এমন শর্তে গত সেপ্টেম্বর মাসে পিপলস পার্টির সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী হন আনুতিন।

৬৯ বছর বয়সি আনুতিন একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক। রয়টার্স বলছে, কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের কারণে বর্তমানে থাইল্যান্ডে জাতীয়তাবাদী মনোভাব বেড়েছে, যা আনুতিনের জন্য রাজনৈতিকভাবে লাভজনক হতে পারে।

তবে বিভিন্ন জনমত জরিপ বলছে, পিপলস পার্টি থাইল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সম্ভবত এটিই দেশটির একটি শক্তিশালী ফোর্স হতে পারে। দলটির আগের নাম ছিল মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি, যারা ২০২৩ সালের সবশেষ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code