১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন কর্তৃক কসমিক স্পোর্টস এন্ড হেলথ ক্লাব বনাম ব্ল‍্যাক টু সোসাইটির ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ১৬, ২০২৪, ০৭:০৬ অপরাহ্ণ
এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন কর্তৃক কসমিক স্পোর্টস এন্ড হেলথ ক্লাব বনাম ব্ল‍্যাক টু সোসাইটির ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

Manual4 Ad Code

এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন কর্তৃক কসমিক স্পোর্টস এন্ড হেলথ ক্লাব বনাম ব্ল‍্যাক টু সোসাইটির ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার:: নারীদের খেলাধুলার মাধ্যমে মনোনিবেশ করার মধ্যে দিয়ে সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ বিনার্মাণে কসমিক স্পোর্টস এন্ড হেলথ ক্লাব, এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন ও ব্ল‍্যাক টু সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে মেয়েদের ব‍্যাডমিন্টন ও ছেলেদের ফুটবল টুর্নামেন্ট -২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়।

১৫ নভেম্বর রোজ শুক্রবার চট্টগ্রাম টাইগারপাস পাহাড়তলীস্থ মাঠে কসমিক স্পোর্ট এন্ড হেলথ ক্লাব বনাম ব্ল‍্যাক টু সোসাইটির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

এই সময় টুর্নামেন্ট টি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মোহাম্মদ আলী

Manual6 Ad Code

প্রধান আলোচক ছিলেন, চট্টগ্রাম কোর্টের আইনজীবী মোঃ এমদাদুল ফারহান, বিশেষ অতিথি ছিলেন, মুন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফয়সাল মুন,জাগ্রত যুব তরুণ সংঘ এর প্রতিষ্ঠাতা জয়নুল আবেদীন, ব্রাইট সাকসেস স্কল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন,দুই টাকায় স্কুল এর অর্থ সম্পাদক উৎপল কুমার দাশ,জাগ্রত যুব তরুণ সংঘ এর যুগ্ন আহ্বায়ক মো: আসলাম।

Manual4 Ad Code

এই সময় প্রধান অতিথি মোহাম্মদ আলী বলেন, যুবকদের মাদক, সন্ত্রাস, অনলাইন গ‍েইম, মোবাইল আসক্ত সহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে তরুণ তরুণীদের ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই। কসমিক স্পোর্ট এন্ড হেলথ ক্লাবের এই রকম একটি সময়পোযোগী আয়োজন সত্যি প্রশংসনীয়। তিনি আরও বলেন, এই ধরণের খেলাধুলা আয়োজনের জন্য মাঠ বিশেষ প্রয়োজন ; তাই যুব সমাজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের উচিত মাঠের ব‍্যবস্থা করা।

Manual7 Ad Code

এই সময় অন‍্যান‍্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, সমাজ সেবক মোঃ সেলিম, মোঃ কাশেম, মোঃ আফজাল হোসেন রিফাত, সুইটি আক্তার, মোঃ সাব্বির হোসেন, মোঃ মাহী প্রমূখ।

খেলা শেষে বিজয়ী দল কসমিক স্পোর্টস এন্ড হেলথ ক্লাবের খেলোয়াদের হাতে ট্রফি এবং অংশগ্রহণকারী ব্ল‍্যাক টু ব্লু সোসাইটির খেলোয়াদের মাঝে ম‍েডেল প্রদান করেন অতিথিবৃন্দরা।

Manual6 Ad Code

পরিশেষে খেলায় অংশগ্রহণকারী দল সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ভবিষ্যতে এই ধরণে খেলার আয়োজন অব‍্যাহত রাখার বিষয়ে আশা ব‍্যক্ত করেন কসমিক স্পোর্ট এন্ড হেলথ ক্লাবের সভাপতি হারিছা খানম সুখী।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code