২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

টরন্টোতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন।

editor
প্রকাশিত মার্চ ২৯, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
টরন্টোতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন।

Manual1 Ad Code

টরন্টোতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ কানাডার টরন্টোতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত হয়েছে।
টরন্টোতে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপিত হয়েছে।

Manual1 Ad Code

গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচিতে টরন্টোতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং প্রবাসীরা অংশ নেন।

Manual8 Ad Code

দিনের শুরুতে ‘বাংলাদেশ হাউস’ প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন টরন্টোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শাহ আলম খোকন। এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

Manual7 Ad Code

সন্ধ্যায় টরন্টোর অ্যাট্রিয়া-১ কনফারেন্স হলে এক বিশেষ সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল শাহ আলম খোকন তার বক্তব্যে স্বাধীনতার বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভূমিকা এবং গণতন্ত্রের সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন।

কনসাল জেনারেল বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এই অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কনস্যুলেটের ‘কমিউনিটি ফার্স্ট’ স্লোগানের অধীনে কনস্যুলার সেবার আধুনিকীকরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানটি শেষ হয় মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী এবং কেক কাটার মধ্য দিয়ে। আগত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।

Manual2 Ad Code

আগামী ২ এপ্রিল স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে টরন্টোতে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে কনস্যুলেট জেনারেলের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় আরেকটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code