২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ইরান-ইসরাইল সংঘাত অ্যামাজনের একাধিক ডেটা সেন্টার ‘ড্রোন হামলায়’ ক্ষতিগ্রস্ত

editor
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ণ
ইরান-ইসরাইল সংঘাত অ্যামাজনের একাধিক ডেটা সেন্টার ‘ড্রোন হামলায়’ ক্ষতিগ্রস্ত

Manual5 Ad Code

ইরান-ইসরাইল সংঘাত অ্যামাজনের একাধিক ডেটা সেন্টার ‘ড্রোন হামলায়’ ক্ষতিগ্রস্ত

শেখ স্বপ্না শিমুঃ পাল্টাপাল্টি হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। এ পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অ্যামাজনের দুটি ডেটা সেন্টার ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস বা এডব্লিউএস। এছাড়া বাহরাইনে তাদের আরেকটি স্থাপনার কাছাকাছি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিপক্ষে সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। কাতার, কুয়েত, আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী।

Manual2 Ad Code

এ অবস্থায় বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টার এবং ডিজিটাল সেবা দেয়া অ্যামাজন জানিয়েছে, ড্রোনের ‘সরাসরি আঘাতে’ তাদের ‘অবকাঠামোগত ক্ষতি’ হয়েছে এবং ভবনটির ‘বিদ্যুৎ বিঘ্নিত’ হয়েছে।

ডেটা সেন্টারগুলো একটি অঞ্চলে ওয়েবসাইট এবং অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনের মতো বিস্তৃত ব্যবসা ও ইন্টারনেট পরিষেবার জন্য তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাত করে। এই ধরনের স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব গুরুতর হতে পারে।

Manual3 Ad Code

মধ্যপ্রাচ্যে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে গ্রাহকদেরকে অবিলম্বে তাদের ডেটা ব্যাকআপ করা অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়া, ইউরোপ বা অন্য কোথাও তাদের সিস্টেম স্থানান্তরের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code