২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কাতারের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ড্রোন হামলা ইরানের, এলএনজি উৎপাদন বন্ধ

editor
প্রকাশিত মার্চ ২, ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ণ
কাতারের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ড্রোন হামলা ইরানের, এলএনজি উৎপাদন বন্ধ

Manual3 Ad Code

কাতারের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ড্রোন হামলা ইরানের, এলএনজি উৎপাদন বন্ধ

শেখ স্বপ্না শিমুঃ কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের দুটি ড্রোন শিল্প নগরী রাস লাফানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে আঘাত করেছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

‘একটি ড্রোন মেসাইদের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি জলের ট্যাঙ্ক লক্ষ্য করে এবং অন্যটি কাতার এনার্জির রাস লাফান শিল্প নগরীর একটি জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালায় বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।আক্রমণের ফলে সৃষ্ট সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মূল্যায়ন করবে  এবং পরে একটি সরকারী বিবৃতি জারি করা হবে,’ মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে।

Manual5 Ad Code

এদিকে ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং ইরানের পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরী ও মেসাঈদ শিল্পনগরীতে হামলার পর এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

Manual8 Ad Code

শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত চরমে পৌঁছায়। যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন।

Manual4 Ad Code

এছাড়া ইরানে এ পর্যন্ত ৫ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট। অন্যদিকে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে এর জবাব দেয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code