২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ইরানে ইসরাইলের হামলা: যে পদক্ষেপ নিলো রাশিয়া

editor
প্রকাশিত মার্চ ১, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
ইরানে ইসরাইলের হামলা: যে পদক্ষেপ নিলো রাশিয়া

Manual2 Ad Code

ইরানে ইসরাইলের হামলা: যে পদক্ষেপ নিলো রাশিয়া

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইরানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে যৌথভাবে হামলা শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইসরাইলের হামলায় ইরানের ৫ শিশু নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হামলা চালিয়েছে। এতে আবু ধাবিতে একজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার সকালে তেহরানে যৌথভাবে হামলা চালায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র।

Manual3 Ad Code

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যখন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তখন ইরান ও ইসরাইলে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছে ইরানের মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত রাশিয়া।মস্কোর পরিবহন মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান এবং ইসরাইল আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। রাশিয়ান বিমান সংস্থাগুলো, মন্ত্রণালয় এবং রোসাভিয়াতসিয়া বিমান সংস্থাগুলোর সাথে সহযোগিতায়, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলিতে নিরাপদ ফ্লাইট নিশ্চিত করার জন্য আগে থেকেই বিকল্প ফ্লাইট রুট তৈরি করেছে।

Manual5 Ad Code

দীর্ঘ দূরত্বের কারণে ফ্লাইটের সময় বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।এদিকে ইরানের ওপর মার্কিন সামরিক হামলার তীব্র সমালোচনা করে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, এই হামলার মাধ্যমে ওয়াশিংটন তাদের ‘আসল রূপ’ দেখিয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত মেদভেদেভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান চালানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র মূলত পরমাণু আলোচনাকে একটি ‘ছদ্মবেশ’ বা কভার-আপ হিসেবে ব্যবহার করেছে।

Manual1 Ad Code

মেদভেদেভ বলেন, ‘তথাকথিত শান্তিকামীরা আবারও তাদের আসল চেহারা দেখালো। ইরানের সঙ্গে যাবতীয় আলোচনা ছিল আসলে একটি সাজানো অপারেশন। এ নিয়ে কারোর মনেই কোনো সন্দেহ ছিল না। আসলে কেউ কখনোই কোনো বিষয়ে একমত হতে বা সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়নি।রুশ এই শীর্ষ কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়ার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করেছে ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সকালে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ হামলার কথা স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্সের খবরে জানানো হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা আকাশ ও সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের সামনে একটি বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। হামলা হয়েছে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনেও। তবে তারা নিরাপদ স্থানে রয়েছেন বলে খবরে জানানো হয়েছে।

ইরানের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই এবং তাকে ‘নিরাপদ স্থানে’ স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও অক্ষত রয়েছেন।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code