২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তোলপাড় ইসরাইল, বহু হতাহত

editor
প্রকাশিত মার্চ ১, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
ইরানে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তোলপাড় ইসরাইল, বহু হতাহত

Manual6 Ad Code

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তোলপাড় ইসরাইল, বহু হতাহত

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্য ইসরাইলের বেইত শেমেশ শহরে অন্তত আটজন নিহত এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।

Manual3 Ad Code

জেরুজালেম থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার (১৯ মাইল) পশ্চিমে অবস্থিত ওই শহরে হামলার তথ্য জানিয়েছে একটি জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থা।
রোববার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

Manual3 Ad Code

টেলিভিশনে দেয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটির মুখপাত্র জাকি হেলার বলেন, ‘বেইত শেমেশে সরাসরি আঘাতে (ক্ষেপণাস্ত্রের) চারজন নিহত হয়েছেন।’তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। আর আল জাজিরা ৮ জন নিহতের খবর দিয়েছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসক দল এবং হতাহতদের সরিয়ে নিতে একটি হেলিকপ্টার কাজ করছে।
এদিকে সাইপ্রাসের দিকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার ব্রিটিশ সেনা অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি।

Manual3 Ad Code

স্কাই নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
আমরা মনে করি না যে এগুলো সাইপ্রাসকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তবে এটি স্পষ্ট উদাহরণ যে, পুরো অঞ্চলে ব্যাপকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানো একটি শাসনব্যবস্থা (ইরান) থেকে বাস্তব এবং ক্রমবর্ধমান হুমকি তৈরি হয়েছে এবং আমাদের সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের হামলা বাহরাইনে অবস্থানরত ব্রিটিশ সেনাদের কয়েকশ গজ (কয়েকশ মিটার) দূরত্বে আঘাত হানে।সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, পূর্ব রিয়াদের বাসিন্দারা একাধিক জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখেছেন।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code