৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

খামেনি হত্যার পর মসজিদের উপরে ‘লাল পতাকা’ উত্তোলন করল ইরান, এর অর্থ কী?

editor
প্রকাশিত মার্চ ১, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
খামেনি হত্যার পর মসজিদের উপরে ‘লাল পতাকা’ উত্তোলন করল ইরান, এর অর্থ কী?

Manual3 Ad Code

খামেনি হত্যার পর মসজিদের উপরে ‘লাল পতাকা’ উত্তোলন করল ইরান, এর অর্থ কী?

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর, ইরানের কেন্দ্রীয় ধর্মীয় শহর কোমের একটি প্রতিনিধিত্বমূলক মসজিদের উপরে প্রতিশোধের প্রতীক লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এটিকে ইরানের অভ্যন্তরে কঠোর প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়ার প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরানি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী,  কোমের জামকারান মসজিদের গম্বুজের উপরে একটি লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়।মসজিদের লাল পতাকা শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ এবং ভয়াবহ যুদ্ধের আসন্নতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে যে এটি দেশে এবং বিদেশে শত্রুদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ এবং বিচারের জন্য দৃঢ় সংকল্পের একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করে।

Manual6 Ad Code

ইরানের রাষ্ট্র পরিচালিত প্রেস টিভি জানিয়েছে, ‘এই লাল পতাকাটি ইসলামী বিপ্লবের নেতার রক্তপাতের প্রতিশোধের প্রতীক।’উত্তোলন অনুষ্ঠানে মসজিদের কর্মকর্তা এবং ধর্মগুরুরা খামেনির প্রতিকৃতি বহন করে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন বলে জানা গেছে।

Manual7 Ad Code

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর কুদস ফোর্সের কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হওয়ার পর জামকারান মসজিদের উপরে প্রথম লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।সেই সময়, এটি প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছিল।

Manual1 Ad Code

প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে, লাল পতাকা তুলেছে ইরান। ইরানের ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ জামকারান মসজিদের গম্বুজের উপরে একটি লাল পতাকা তোলা হয়। তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর, ন্যায়বিচার এবং প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পতাকাটি উত্তোলন করা হয় বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়।
বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে কোম শহরের মসজিদের উপরে, লাল পতাকাটি খামেনির সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ এবং প্রতিশোধের প্রতিফলন ঘটায়।

শনিবার ইরানে ইসরাইল-মার্কিন যৌথ হামলার সময় তেহরানে এক বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও একই কথা নিশ্চিত করেছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

Manual6 Ad Code

এদিকে,  ইরান ৬৬ বছর বয়সী একজন ধর্মগুরুকে তিন সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদে যোগদানের জন্য নির্বাচিত করেছে, যা নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করবে।শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে ইরানে হামলা চালায়। চলমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিসহ প্রায় শতাধিক নিহত হন। পরে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হামলা চালায়। ইসরাইলেও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে ইরান

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code