৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও যেসব দেশে বিস্ফোরণ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ণ
আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও যেসব দেশে বিস্ফোরণ

Manual5 Ad Code

আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরও যেসব দেশে বিস্ফোরণ

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার জেরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানজুড়ে হামলার পর ইসরাইলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। এরইমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ৫ম নৌবহরের সদর দফতরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

Manual3 Ad Code

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।বাহরাইন জানিয়েছে, দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম নৌবহরের সদর দফতরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এর আগে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক জরুরি সতর্কতা বার্তায় নাগরিকদের নিকটতম নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আল জাজিরা সংবাদদাতা জানিয়েছেন, কুয়েতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া সেখানে সতকর্তা সাইরেন বাজানো হয়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি থেকে একটি বিকট বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

Manual7 Ad Code

এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করেছে ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সকালে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ হামলার কথা স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

Manual7 Ad Code

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্সের খবরে জানানো হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা আকাশ ও সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতে কাজ করছে। নাগরিকদের নিরাপদে থাকার সতর্কবার্তা দিয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code