৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

Manual4 Ad Code

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) কুয়ালালামপুরের উইসমা পুত্রায় আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী।

Manual7 Ad Code

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী উতামা হাজি মোহাম্মদ বিন হাজি হাসানের আমন্ত্রণে ওই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

Manual3 Ad Code

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী বাংলাদেশের সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতাকে অভিনন্দন জানানো এবং নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমও বাংলাদেশের প্রতিনিধিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।

উইসমা পুত্রায় আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে মালয়েশিয়ার সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Manual4 Ad Code

অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গেও সৌজন্য বিনিময় করেন যা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code