৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

পাবনায় গ্যারেজ মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সাংবাদিক কেপ্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
পাবনায় গ্যারেজ মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সাংবাদিক কেপ্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

Manual4 Ad Code

পাবনায় গ্যারেজ মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনা সদর উপজেলায় একটি প্রাইভেট কারের গিয়ারবক্স প্রতিস্থাপনকে কেন্দ্র করে এক গ্যারেজ মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণা, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Manual8 Ad Code

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাতীয় দৈনিক ঘোষণা’র পাবনা জেলা প্রতিনিধি রোকন বিশ্বাস (৩৩) লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, প্রায় এক মাস আগে একই পত্রিকার সদর উপজেলা প্রতিনিধি খন্দকার কৌশিক হোসেন (৩৩)-এর প্রাইভেট কারের গিয়ারবক্স নষ্ট হলে সেটি পাবনা থানাধীন গাছপাড়ায় অবস্থিত “নিউ মনির রিপেয়ারিং ওয়ার্কশপ”-এ মেরামতের জন্য নেওয়া হয়। গ্যারেজটির মালিক মো. মনিরুল ইসলাম মনির (২৫)। তিনি ৮৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ছয় মাসের গ্যারান্টিসহ একটি নতুন গিয়ারবক্স স্থাপন করেন।
কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই ওই গিয়ারবক্সে পুনরায় ত্রুটি দেখা দেয়। বিষয়টি জানাতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে গ্যারেজ মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সমস্যাটি সমাধানের আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ফোনে যোগাযোগ করে গাড়িটি পাবনা বাস টার্মিনালে এনে মেরামতের অনুরোধ করা হয়। তবে অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন এবং পরে ফোন রিসিভ করা বন্ধ করে দেন।
এ ঘটনায় পাবনা মোটর মেকানিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বারেক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলামিন মোল্লাকে অবগত করা হয়। তারা অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ করে গাড়িটি পুনরায় ঠিক করার অনুরোধ জানালেও তিনি বারবার আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সমিতির কাছে বিষয়টি জানানোয় ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম ভুক্তভোগী খন্দকার কৌশিক হোসেনকে ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। এমনকি নিজেকে অভিযুক্তের খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে অপর এক অজ্ঞাত ব্যক্তি ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমানে খন্দকার কৌশিক হোসেন চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযুক্তের দ্বারা যে কোনো সময় জানমালের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code