৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার

Manual5 Ad Code

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ক্যাথেলেন সুজা। সৌদি আরবে দুই বছর খেলার অভিজ্ঞতার পর এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন ২৯ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার।
সম্প্রতি ওমরাহ পালনের জন্য মক্কায় যান ক্যাথেলেন।

Manual3 Ad Code

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা ভিডিওতে ক্যাথেলেন বলেন, ‘ছোট ছোট পদক্ষেপে সঠিক পথ খুঁজছি, পরিবর্তন চাইছি, জীবনের উপহারকে মূল্য দিচ্ছি।’আবেগাপ্লুত এই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার আরও বলেন, ‘আমি শুধু সঠিক পথ খুঁজছিলাম এবং নিজের সেরা সংস্করণ হতে চেয়েছি—এটাই।’

বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসরের নারী দলের হয়ে খেলছেন ক্যাথেলেন। ক্লাবটির অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকেও তার ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, ‘ক্যাথেলেন সুজার জীবনের বিশেষ মুহূর্তটি আমরা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি। আমরা প্রার্থনা করি, আল্লাহ তাকে স্থিতি দান করুন এবং তার হৃদয় শান্তি ও প্রশান্তিতে ভরিয়ে দিন।’

সম্প্রতি ওমরাহ পালনের জন্য মক্কায় যান ক্যাথেলেন। সেখানে তোলা কয়েকটি ছবি নিজের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে একই বার্তা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। লেখেন, ‘সঠিক পথের সন্ধান, পরিবর্তনের খোঁজ, জীবনের জন্য কৃতজ্ঞতা।’

Manual1 Ad Code

আল নাসর নারী দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই দারুণ ছন্দে আছেন ক্যাথেলেন। চলতি মৌসুমে পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ‘প্লেয়ার অব দ্য মান্থ’ নির্বাচিত হয়েছেন। ক্লাবের রক্ষণভাগে তার দৃঢ় উপস্থিতি আল-নাসরের সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখছে।

সাও পাওলো অঙ্গরাজ্যের সাও ভিসেন্তে জন্ম নেয়া ক্যাথেলেন ছোটবেলা থেকেই ফুটবলে যুক্ত। ব্রাজিলে সংক্ষিপ্ত সময় সান্তোস এফসির বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং ইউনিভার্সিটি অব লুইসভিল ও ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডায় পড়াশোনার পাশাপাশি ফুটবল খেলেন।

Manual4 Ad Code

পেশাদার ক্যারিয়ারে ব্রাজিলের ক্লাব স্পোর্ত ক্লাব ইন্টারন্যাসিওনালের হয়ে সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে খেলেছেন। ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি সৌদি আরবের আল-নাসর নারী দলে যোগ দেন। ব্রাজিল নারী জাতীয় দলের হয়েও প্রতিনিধিত্ব করেছেন এই ডিফেন্ডার। ২০১৮ সালে অভিষেকের পর থেকে খেলেছেন ৩০টি ম্যাচ।

ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিবর্তন নিয়ে ক্যাথেলেনের এই ঘোষণা সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ফুটবলের মাঠে যেমন তিনি দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, ব্যক্তিজীবনের এই সিদ্ধান্তেও তেমনই আত্মবিশ্বাসী বার্তা দিয়েছেন ব্রাজিলের এই ফুটবলার।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code