২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

টানা ৩ বছর শীর্ষে, এই পাটসপোর্ট থাকলে ভিসা ছাড়াই ১৯২ দেশে ভ্রমণের সুযোগ।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ণ
টানা ৩ বছর শীর্ষে, এই পাটসপোর্ট থাকলে ভিসা ছাড়াই ১৯২ দেশে ভ্রমণের সুযোগ।

Manual3 Ad Code

টানা ৩ বছর শীর্ষে, এই পাটসপোর্ট থাকলে ভিসা ছাড়াই ১৯২ দেশে ভ্রমণের সুযোগ।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ সর্বশেষ হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সে, সিঙ্গাপুর আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে। টানা তৃতীয় বছরের মতো এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের অবস্থান ধরে রেখেছে; দেশটির নাগরিকদের ১৯২টি দেশ ও অঞ্চলে ভিসা-মুক্ত অথবা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা দেয়। এই র‌্যাঙ্কিং সিঙ্গাপুরের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং স্থিতিশীল বৈশ্বিক সুনামের প্রতিফলন, যা একত্রে দেশটির পাসপোর্টধারীদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণকে অনেক সহজ করে তোলে।সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট।

সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট ২০২৬ সালে হঠাৎ করে শীর্ষে ওঠেনি; এটি ২০২৪ সালের হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স র‌্যাঙ্কিং থেকেই সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। অর্থাৎ টানা তিন বছর ধরে সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি বৈশ্বিক ভ্রমণ সুবিধা উপভোগ করছেন, ভ্রমণের আগে ভিসার জন্য আবেদন না করেই সর্বাধিক গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগে তারা অন্য সব দেশকে ছাড়িয়ে গেছেন।

হেনলি ইনডেক্সে সিঙ্গাপুরকে যে বিষয়গুলো আলাদাভাবে তুলে ধরেছে—
* ২০২৬ সালে আগাম ভিসা ছাড়াই ১৯২টি গন্তব্যে প্রবেশাধিকার; যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
* অন্যান্য সব দেশের পাসপোর্টের উপরে অবস্থান করছে, যার মধ্যে আছে জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া (যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে, ১৮৮টি গন্তব্যে প্রবেশাধিকারসহ)।
* এই সূচকটি তৈরি করা হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের একচেটিয়া ভ্রমণ তথ্যের ভিত্তিতে, যেখানে বিশ্বজুড়ে ১৯৯টি পাসপোর্ট এবং ২২৭টি গন্তব্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

Manual2 Ad Code

বিশ্বজুড়ে ভ্রমণে সহজ সুবিধা পান সিঙ্গপুরের পাসপোর্টধারীরা। সিঙ্গাপুরে পাসপোর্টধারীরা কোথায় কোথায় যেতে পারেন
সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টের শক্তি সামান্য কিছু জনপ্রিয় গন্তব্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বড় অঞ্চলে বিস্তৃত।সার্বিকভাবে বলতে গেলে, পাসপোর্টধারীরা সহজেই ভ্রমণ করতে পারেন নিম্নোক্ত অঞ্চলের দেশগুলোতে—

Manual5 Ad Code

ইউরোপ– পশ্চিম ইউরোপের ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইতালি থেকে শুরু করে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরীয়দের ভিসা-মুক্ত বা ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা দেওয়া হয়।এশিয়া– দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সিঙ্গাপুরীয়রা প্রায় সর্বত্র আগাম ভিসার ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন।

Manual7 Ad Code

আমেরিকা মহাদেশ– উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোও সাধারণত ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার বা সহজে প্রবেশ সুবিধা দেয়।
আফ্রিকা– আফ্রিকার কিছু দেশে ভিসা নীতিমালা তুলনামূলক কঠোর হলেও, মহাদেশের বহু দেশেই আগাম ভিসা ছাড়াই প্রবেশের সুযোগ রয়েছে সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীদের।

Manual4 Ad Code

ওশেনিয়া– অধিকাংশ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ এবং অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডও সহজলভ্য তালিকায় রয়েছে— হয় ভিসা-মুক্ত, নয়তো সরল ই-ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে।
সংক্ষেপে বললে, সিঙ্গাপুর পাসপোর্টধারীরা ইউরোপ, এশিয়া, আমেরিকা, আফ্রিকা ও ওশেনিয়া জুড়ে খুবই সামান্য সীমান্ত জটিলতা নিয়ে চলাচল করতে পারেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code