৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় দ্রুত ছড়াচ্ছে যক্ষ্মা, বিশেষ সতর্কতা জারি।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় দ্রুত ছড়াচ্ছে যক্ষ্মা, বিশেষ সতর্কতা জারি।

Manual3 Ad Code

মালয়েশিয়ায় দ্রুত ছড়াচ্ছে যক্ষ্মা, বিশেষ সতর্কতা জারি।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মালয়েশিয়ায় হঠাৎ যক্ষ্মা সংক্রমণ বেড়ে গেছে। প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জনসাধারণকে ভিড় ও বদ্ধ স্থানে মাস্ক পরাসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। খবর দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের।
মালয়েশিয়ায় চলতি মাসের ৮ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এক সপ্তাহে দেশজুড়ে ৫৯৬ জন নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

Manual1 Ad Code

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি মাসের ৮ থেকে ১৪ তারিখ পর্যন্ত এক সপ্তাহে দেশজুড়ে ৫৯৬ জন নতুন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ১৭১ জনে পৌঁছেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, রমজান মাসে বাজার, ইফতারসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ভিড় বাড়তে থাকায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, এখনও চিকিৎসা নেয়নি এমন যক্ষ্মা আক্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে ভিড় ও বদ্ধ স্থানে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে।

Manual3 Ad Code

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো দ্রুত ছড়ায় না যক্ষ্মা। তুলনামূলকভাবে ধীরে ছড়ালেও এটি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং বারবার সংক্রমণ ঘটে।যক্ষ্মা প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও আগাম পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দ্রুত শনাক্ত, কার্যকর চিকিৎসা ও সংক্রমণ প্রতিরোধে জোর দিয়েছে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

Manual1 Ad Code

বিবৃতিতে জনসাধারণকে দেয়া পরামর্শগুলোর মধ্যে রয়েছে—উপসর্গ থাকলে বা ভিড়ে গেলে মাস্ক পরা, কাশি-হাঁচির শিষ্টাচার মেনে চলা, ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা এবং দুই সপ্তাহের বেশি কাশি বা যক্ষ্মা সংশ্লিষ্ট উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code