২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে দূতাবাসে গণশুনানি

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে দূতাবাসে গণশুনানি

Manual6 Ad Code

কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে দূতাবাসে গণশুনানি

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ কুয়েতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা সরাসরি জানা, তা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং দূতাবাসের সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি মাসে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করে থাকে বাংলাদেশ দূতাবাস, কুয়েত।

Manual5 Ad Code

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসের হলরুমে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণশুনানিতে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন এবং দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন।

Manual2 Ad Code

অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা শ্রম কল্যাণ, পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবা, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা, আইনি সহায়তা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত প্রবাসীদের বক্তব্য শুনে সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করা দূতাবাসের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। সেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গণশুনানি একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, শ্রম কল্যাণ, পাসপোর্ট ও কনস্যুলার সেবার মান বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে দূতাবাস সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী প্রবাসীরা দূতাবাসের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং সরাসরি সমস্যা তুলে ধরার সুযোগ পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।
কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়মিতভাবে মাসিক গণশুনানির মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code