২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন জাহাজে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে হুতি!

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
মার্কিন জাহাজে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে হুতি!

Manual7 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

মার্কিন জাহাজে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে হুতি!

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ
যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি হিসেবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম স্থানান্তর করেছে বলে খবর প্রকাশ করেছে ইসরাইলি ‘কান নিউজ’।
গত বছরের ৬ জুলাই লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী বাল্ক ক্যারিয়ার ‘ম্যাজিক সিজ’-এ নিজেদের হামলার এক ভিডিও প্রকাশ করে হুতিরা।

প্রতিবেদন অনুসারে, হুতিদের এমন পদক্ষেপের পর গত মে মাস থেকে অঞ্চলটিতে যে ভঙ্গুর শান্ত অবস্থা বজায় ছিল, তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত একটি গোষ্ঠীর এক সূত্র মার্কিন প্রশাসনকে জানিয়েছে, লোহিত সাগর ও আরব সাগরে মার্কিন জাহাজগুলোর ওপর পুনরায় হামলা চালানোর জন্য হুতিরা কার্যকরভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

Manual3 Ad Code

ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র আরব সাগরে একটি বিমানবাহী রণতরী এবং অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পরই এ তথ্য সামনে এলো। এর আগে জানা যায়, অবস্থান পরিবর্তন করে মার্কিন নৌবাহিনীর আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে দক্ষিণ ইয়েমেনের জলসীমায় নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সামরিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ইরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএনএ।

Manual3 Ad Code

সূত্রের মতে, একাধিক ডেস্ট্রয়ার ও একটি সহায়ক সাবমেরিনসহ যুক্তরাষ্ট্রের এই বহরটি বর্তমানে ইয়েমেনের সোকোত্রা দ্বীপের পূর্বে এডেন উপসাগরের কাছে মোতায়েন রয়েছে। সেই হিসাবে বহরটি ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার থেকে আনুমানিক ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে, যা আগের তুলনায় ইরানের উপকূলীয় জলসীমা থেকে আরও বেশি দূরত্ব নির্দেশ করে।

Manual8 Ad Code

ইরানি কর্মকর্তারা যখন ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি নিয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন, তখনই যুদ্ধজাহাজের অবস্থান পরিবর্তনের খবর এলো। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি। মার্কিন কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য দেয়নি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code