২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলা, ১২ খনি শ্রমিক নিহত

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ণ
ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলা, ১২ খনি শ্রমিক নিহত

Manual6 Ad Code

ইউক্রেনে রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন হামলা, ১২ খনি শ্রমিক নিহত

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ

ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ডিনিপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে খনি শ্রমিকদের বহনকারী একটি বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার ড্রোন হামলার পর ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা সংস্থার কর্মীরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।

ডেনিস শ্যামিহাল বলেন, ‘শত্রুপক্ষ আজ ডিনিপ্রো অঞ্চলে জ্বালানি খাতের কর্মীদের ওপর একটি নিন্দনীয় এবং লক্ষ্যবস্তু হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় ১২ জন শ্রমিক নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন। শান্তি আলোচনার মধ্যেই রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। রাশিয়ার হামলায় বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইউক্রেনজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

স্থানীয় সময় শনিবার, গ্রিড সমস্যার কারণে সাড়ে তিন হাজার বহুতল ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হয়নি। তীব্র শৈত্যপ্রবাহে কিয়েভে প্রায় এক হাজার আবাসিক ভবনে হিটার জ্বলেনি বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো।এরমধ্যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে কতদিন পুতিন হামলা বন্ধ রাখবে তা নিয়ে ইউক্রেনীয়বাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

যুদ্ধ বন্ধে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার আবুধাবিতে ওয়াশিংটন-মস্কো-কিয়েভের ত্রিপক্ষীয় আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব শুরুর কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, সংঘাত বন্ধে কিয়েভ আবারও আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। গেল মাসের শেষে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হলেও ভূখণ্ড ইস্যুতে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলেও জানান তিনি।

Manual1 Ad Code

এদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ‘কৌশলগতভাবে পরাজিত’ করতে ইউরোপ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ।
স্থানীয় সময় রোববার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে ইউরোপ উল্টো নিজের অর্থনীতি ও অস্তিত্বের ভিত্তিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক সহায়তার নীতিতে ইউরোপই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code